ISKCON Rath Yatra

অসময়ে রথযাত্রা উদযাপন! ওড়িশা থেকে ইসকনের উৎখাত চেয়ে বিক্ষোভ কলিঙ্গ সেনার

এই ইস্যুতে কলিঙ্গ সেনার সভাপতি হেমন্ত রথ বলেন, "যদি ইসকন এই অসময়ের রথযাত্রা বন্ধ না করে, জগন্নাথদেবের সংস্কৃতিকে সম্মান না করে, তবে ওড়িশায় তাদের থাকার কোনও অধিকার নেই। তারা গজপতি মহারাজা দিব্যসিংহ দেবকে অপমান করেছে- যিনি ভগবান জগন্নাথের প্রধান সেবক হিসেবে বিবেচিত হন।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ২০:৫৫

options
link
অসময়ে রথযাত্রা উদযাপন! ওড়িশা থেকে ইসকনের উৎখাত চেয়ে বিক্ষোভ কলিঙ্গ সেনার
ওড়িশায় ইসকনের রথযাত্রা উদযাপনের সময় নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক।

ওড়িশায় ইসকনের রথযাত্রা উদযাপনের সময় নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। ওড়িশার রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন কলিঙ্গ সেনার অভিযোগ, ইসকন পুরীর শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মীয় রীতি না মেনে নির্ধারিত সময়ের বাইরে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় এবং দেশের বাইরে রথযাত্রার আয়োজন করছে। এতে জগন্নাথদেবের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। শুধু তাই নয়, ওড়িশা থেকে ইসকনের উৎখাত চেয়ে বিক্ষোভও শুরু করেছে কলিঙ্গ সেনা।

Advertisement

এ প্রসঙ্গে কলিঙ্গ সেনার সভাপতি হেমন্ত রথ বলেন, “যদি ইসকন এই অসময়ের রথযাত্রা বন্ধ না করে, জগন্নাথদেবের সংস্কৃতিকে সম্মান না করে, তবে ওড়িশায় তাদের থাকার কোনও অধিকার নেই। তারা গজপতি মহারাজা দিব্যসিংহ দেবকে অপমান করেছে- যিনি ভগবান জগন্নাথের প্রধান সেবক হিসাবে বিবেচিত হন।” তিনি আরও বলেন, “পুরী এবং ভুবনেশ্বরে রথযাত্রার সময় ইসকনের কোনও সদস্যকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আমাদের সংগঠনের কর্মীরা তা নিশ্চিত করবেন।” হেমন্তের দাবি, বারবার আবেদন সত্ত্বেও ইসকন জগন্নাথদেবের রথযাত্রার নির্ধারিত সময়সূচী মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ইসকন জগন্নাথদেবের সংস্কৃতিকে সম্মান না করে, তাহলে আমরা পুরীতে কেন তাদের সম্মান করব? পুরীতে তাদের কোনও কাজ নেই। এমনকী কলিঙ্গ সেনা ওড়িশায় ইসকনের সব মন্দিরে তালা ঝুলিয়ে দেবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে রথযাত্রা বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনেই অনুষ্ঠিত হয়। ওড়িশার বহু ধর্মীয় সংগঠনের মতে, সেই নির্দিষ্ট দিনের বাইরে একই নামে রথযাত্রা করলে ভক্তদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং ঐতিহ্য নষ্ট হয়। গত কয়েক দিন ধরেই ওড়িশায় এই নিয়ে বিতর্ক চলছে। অন্যদিকে, ইসকনের বক্তব্য, তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন সময়ে রথযাত্রার আয়োজন করে থাকে। এটি তাদের দীর্ঘদিনের প্রথা এবং তারা সেটিই অনুসরণ করছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.