নতুন প্রকল্প আনল রাজস্থান সরকার। যে প্রকল্পের অধীনে গ্রামের গোপালক তথা রাখালদের দেওয়া হবে মাসে মাসে ১০ হাজার টাকা করে। এই নতুন প্রকল্পের নাম ‘গাঁও গোয়ালা যোজনা’। এক প্রাচীন গ্রামীণ অনুশীলনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতেই এমন পরিকল্পনা বলে জানা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
ঠিক কী বলা হয়েছে? জানা যাচ্ছে, সরকারের তরফে এই প্রকল্পের ঘোষণার সময়ই পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে পুরো বিষয়টি। সেখানে বলা হয়েছে, গ্রাম পিছু ৭০টি গরু চরানোর জন্য একজন করে রাখাল নিয়োগ করা হয়েছে। যদি গরুর সংখ্যা বেশি থাকে, তাহলে দুই থেকে তিনজনকে নিয়োগ করা যেতে পারে। প্রত্যেক রাখালই মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন পাবে। তবে এই বেতন সরকারের কোষাগার থেকে সরাসরি দেওয়া হবে না। এই ব্যবস্থাটি জনসাধারণের অনুদান এবং দানশীল ব্যক্তিদের সহায়তার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।
এই প্রকল্পকে ঘিরে অবশ্য ব্যাপক বিতর্কেরও জন্ম হয়েছে। যার ফলে গ্রামীণ সম্প্রদায় এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। বিজেপি কর্মীরা একে পশুপালন ও গ্রামীণ জীবিকা জোরদার করতে এক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন। অন্যদিকে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন এই প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে। পাশাপাশি একাধিক রাখালের মধ্যে অগ্রাধিকার কারা পাবেন, তাও পরিষ্কার নয় বলে তাঁদের দাবি।
এদিকে প্রকল্পটি ঘোষণার সময় যে অনুষ্ঠান হয়েছে, বিতর্ক দানা বেঁধেছে সেখানেও। রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ার যে মন্তব্য করেছেন, বিতর্ক তা নিয়েই। তিনি দাবি করেছেন, গরুর দুধ খেলে বাচ্চারা বুদ্ধিমান ও চটপটে হয়। কিন্তু যারা মোষের দুধ খায় তারা সাধারণত কুঁড়ে হয়। পাশাপাশি তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, উঁচু কাঁধের দেশীয় গাভীর দুধ উন্নত এবং শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করার জন্য একে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। তাঁর এহেন মন্তব্য ঘিরেও বিতর্কের সূচনা হয়েছে। এমন মন্তব্যের কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে কিনা জানতে চান অনেকেই।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধের শঙ্কায় ফের রক্তাক্ত দালাল স্ট্রিট! একধাক্কায় ১২০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স, বেহাল নিফটিও
-
শতাব্দী রায়ের পিতৃবিয়োগ, ‘১৫ দিনে কী থেকে যে কী হয়ে গেল…’, শোকস্তব্ধ অভিনেত্রী
-
গিলে খাচ্ছে গঙ্গা, শিউলি-কাশফুলে ভরা সামশেরগঞ্জে পুজো যেন শুধুই বিষাদের
-
মস্তিষ্ক, কান, স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার! মণিপাল ইএম বাইপাসে পূর্ব ভারতের প্রথম স্কাল বেস ইনস্টিটিউট
-
জেলবন্দি স্বামীর পাশে থাকায় মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ মিলনের স্ত্রীর, শুক্র থেকে নন্দীগ্রামে প্রচার