ইউপিআই-এ ফি বা মাশুল বসানো নিয়ে দেশজুড়ে চলছে চর্চা। বিষয়টি নিয়ে যখন নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরোধিতা করছে জোটসঙ্গী কংগ্রেস, তখন ফের হাত শিবিরের উলটো পথে হেঁটে কেন্দ্রেকেই সমর্থন করলেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আবদুল্লা (Omar Abdullah)।
বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওমর বলেন, “আমরা যা বিনামূল্যে পাই, তার কদর করি না। ইউপিআইয়ে প্রত্যেকের উপরেই যে ফি বা মাশুল আরোপ করা হয়েছে, তা নয়। ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে কোনও মাশুল নেওয়া হয় না। নির্দিষ্ট সীমার চেয়ে বেশি লেনদেন না করা পর্যন্ত সাধারণ গ্রাহকদের উপরও কোনও মাশুল ধার্য করা হয় না।” তাঁর কথায়, “ইউপিআই ব্যবস্থাটি পরিচালনা করা মোটেই সস্তা নয়। এটি চালাতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। আর সত্যি বলতে, আমরা বিনামূল্যে যা পাই, তার সঠিক মূল্যায়ন করি না।” তবে ওমর জোর দিয়ে বলেন, “সাধারণ মানুষের উপর যাতে কোনও মাশুল বা ফি ধার্য করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। যদি সংস্থার উপর ফি ধার্য করা হয়, তাহলে আমার কোনও আপত্তি নেই। কারণ, সংস্থাগুলি এমনিতেই ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ভালো আয় করে থাকে।”
সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়ে মোদি সরকারকে বারবার সমর্থন করতে দেখা গিয়েছে ওমরকে। এর আগে কাশ্মীর চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বন্দে মাতরম’-এর সবক’টি স্তবক গেয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে দ্বন্দ্বে বাড়িয়েছিলেন। কয়েকদিন আগে ব্রিকস সম্মেলনে মোদি সরকারের সাফল্যের ‘প্রচার’ও করেন তিনি। এবার ইউপিআই প্রসঙ্গে কংগ্রেসের উলটো পথে হেঁটে কেন্দ্রের পাশেই দাঁড়ালেন ভূস্বর্গের মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ইন্ডিয়া জোট ছাড়তে চলেছেন ওমর?
আসলে ওমর কংগ্রেসের জোটে থাকলেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করেই চলেছেন। সেভাবে কেন্দ্রের প্রখর বিরোধীদের মধ্যে তিনি নন, যা নিয়ে আগেও উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেতারা। এআইসিসির কাছে জোট পর্যালোচনার জন্য আবেদনও জানানো হয়েছিল। বস্তুত, কাশ্মীরের কংগ্রেস নেতারা ওমরকে আর বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাই সব মিলিয়ে ইন্ডিয়া জোটে বড়সড় ভাঙনের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সর্বশেষ খবর
-
জিমন্যাস্টিক্সে ফাইনালে প্রণতি নায়েক, অব্যবস্থার শিকার, একার লড়াইয়েও চমক বঙ্গকন্যার
-
সাংসদ যেন কৃষক! নিজের বাড়িতে করম পুজোয় মাতলেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো
-
‘বন্ধুত্বে’র প্রতিদান! মুকুন্দপুরে মমতাপন্থীদের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার প্রতিবাদ কংগ্রেসের, সুগম জোটের পথ?
-
চৈতন্য ও সুলক্ষণা, ২ হস্তিশাবকের নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই নাম? জানালেন নিজেই
-
এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষের জের! ১ মাস বন্ধ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল! বেরিয়ে গেলেন ছাত্ররা