Central

মোদির ১১ বছরে মাত্র ২২ লক্ষ সরকারি চাকরি! শূন্যপদের সংখ্যা এড়িয়ে গেল কেন্দ্র

বছরে দু’কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৫, ১৩:১৩

options
link
মোদির ১১ বছরে মাত্র ২২ লক্ষ সরকারি চাকরি! শূন্যপদের সংখ্যা এড়িয়ে গেল কেন্দ্র

বিশেষ সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: বছরে দু’কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অথচ কেন্দ্র সরকারের খতিয়ানই বলছে বিগত ১১ বছরে মাত্র ২২ লক্ষ সরকারিপদ পূরণ হয়েছে। তার মধ্যে রেলে হয়েছে পাঁচ লক্ষ। কত শূন্যপদ খালি রয়েছে সেই তথ্য দিতে পারেনি সরকার। অথচ মাত্র কয়েকদিন আগেই, গত শনিবারে রোজগার মেলায় মোদি দাবি করেছিলেন, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপর তাঁর সরকার জোর দিয়েছে। বাস্তব চিত্র যে অন্য কথা বলছে তা মঙ্গলবার সংসদের কর্মী বিষয়ক স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই উঠে এসেছে।

Advertisement

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারের বৈঠকে দপ্তরের সচিব এবং স্টাফ সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে একটি প্রেজেন্টটেশন দেওয়া হয়। সেখানেই দেখা গিয়েছে মোদি সরকারের ১১ বছরে ২২ লক্ষ সরকারিপদ পূরণ হয়েছে। বহু সরকারি পদ যে খালি পড়ে রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু কত পদ খালি পড়ে রয়েছে সেই তথ্য কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা দিতে পারেননি। তবে, কেন্দ্রের তরফ থেকে রোজগার মেলা শুরু করা হয়েছে তাতে ইতিমধ্যেই ১৬ টি রোজগার মেলা করা হয়েছে এবং সেখানে কয়েক লক্ষ নিয়োগপত্র বিলি করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূত্রের খবর, বৈঠকে বিরোধী সাংসদরা সরকারি ক্ষেত্রে কত শূন্যপদ এখনও খালি রয়েছে সেকথা বারবার জানতে চান। প্রধানমন্ত্রী যে বছরে দু-কোটি কর্মসংস্থানের কথা বলেছিলেন সেই লক্ষ্যপূরণের কি হল বলেও কটাক্ষ করেন বিরোধী সাংসদরা। বৈঠকে হাজির ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ও। ডিএমকে সাংসদ উইলসন তৃতীয়বার মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে ২০২৪ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত সরকারিক্ষেত্রে কত কর্মসংস্থান হয়েছে সেই প্রশ্নও তোলেন। সূত্রের খবর, সেই প্রশ্নেরও সঠিক জবাব দিতে পারেননি সরকারি প্রতিনিধিরা। কত শূন্যপদ খালি পড়ে রয়েছে বারবার প্রশ্ন উঠলেও এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকেরা দিতে না পারায় কমিটির চেয়ারম্যান ব্রিজলাল কমিটির আগামী বৈঠকে তাদেরকে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর সঙ্গে নিয়ে আসতে বলেছেন।

Advertisement

উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের আগে দেশের বেকারত্ব নিয়ে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন বিরোধিরা। তার জবাব দিতেই রোজগার মেলার আয়োজন করে আসছে মোদি-সরকার। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান কতটা হয়েছে সেই প্রশ্ন রয়েই গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন