No-Confidence Motion Against Speaker

ভোটাভুটিতে খারিজ স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব, রাহুলকে ‘চোখ মারা-আলিঙ্গন’ নিয়ে কটাক্ষ শাহের

শাহের মন্তব্যে তীব্র বাদানুবাদ। ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ বিরোধীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৯:০৬

options
link
ভোটাভুটিতে খারিজ স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব, রাহুলকে ‘চোখ মারা-আলিঙ্গন’ নিয়ে কটাক্ষ শাহের
স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ। ফাইল ছবি।

প্রত্যাশামতোই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হয়ে গেল। মঙ্গলবার থেকে টানা বিতর্ক, আলোচনার পর ওই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ধ্বনিভোটের সিদ্ধান্ত নেন স্পিকারের বদলে সভার দায়িত্বে থাকা বর্ষীয়ান বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পাল। প্রত্যাশামতোই ভোটাভুটিতে পরাস্ত হয়েছে বিরোধী শিবির। ফলে ফের স্পিকারের পদে বহাল থাকবেন ওম বিড়লাই।

Advertisement

তবে ওই ভোটাভুটির আগে দুদিন ব্যাপী তীব্র বিতর্ক হয়েছে লোকসভায়। ওই বিতর্ক চলাকালীন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করার অভিযোগ উঠেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বিরুদ্ধে। বিতর্ক চলাকালীন শাহ বলেন, “অনেকে শুনছি স্পিকারের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন করছেন। যখন আপনাদের সুপ্রিম লিডার (পড়ুন রাহুল গান্ধী) নিজেই সংসদে এসে চোখ মারেন, প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরেন, এটা কী ধরনের আচরণ। এটা তো প্ররোচনামূলক।” শাহের ওই মন্তব্যে তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে বিরোধী শিবির। তাঁরা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান। শাহকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে থাকেন। তাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যদি আমার কোনও মন্তব্য সংসদীয় আচরণের পরিপন্থী হয়, তাহলে সেটা রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হোক।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এর আগে রাহুল গান্ধী নিজেও এই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বক্তব্য রাখেন। বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, বারবার সংসদে তাঁকে কথা বলতে বাধা দেওয়া হয়েছে। রাহুল বলেন, “আমি যখনই বলতে চাই আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপস করছেন, আমি যখনই নারাভানের বই নিয়ে বলতে চাই, আমি যখনই এপস্টেইন ফাইল নিয়ে বলতে চাই, আমাকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়। আসলে একটা কথা খুব স্পষ্ট, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপস করে ফেলেছেন, সবাই সেটা জানে।” পালটা বিজেপির পক্ষে রবিশংকর প্রসাদ বলেন, “স্রেফ একজন নেতার ব্যক্তিগত অহং শান্ত করার জন্য এই প্রস্তাব। এর কোনও মানে নেই।”

Advertisement

সরকার পক্ষের তরফে অমিত শাহ ভাষণ দিতে উঠলে বিরোধীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভের মধ্যেই শাহ বলেন, “স্পিকার দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে। তাঁর ভূমিকায় প্রশ্ন তোলার অর্থ, গণতন্ত্র নিয়েই প্রশ্ন তোলা।” হট্টগোলের মধ্যে ধ্বনিভোটে অনাস্থা প্রস্তাবটি খারিজ হয়ে যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন