war torn middle east

যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিমান চালাতে নারাজ, উড়ান বন্ধের দাবিতে কেন্দ্রের দ্বারস্থ পাইলটরা

পাইলটদের মতে, যুদ্ধের আবহে যাত্রীদের নিয়ে আকাশপথে যাতায়াত করাটা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যাত্রীবাহী বিমানের উপরেও হামলা হতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ১৭:২১

options
link
যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিমান চালাতে নারাজ, উড়ান বন্ধের দাবিতে কেন্দ্রের দ্বারস্থ পাইলটরা
ফাইল ছবি।

গত একমাস ধরে ইরানের সঙ্গে চলছে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের উপর আছড়ে পড়ছে ক্ষেপণাস্ত্র। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতীয় পাইলটদের অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধ, পশ্চিম এশিয়ায় উড়ান পরিষেবা একেবারে বন্ধ রাখা হোক। তাঁদের মতে, যুদ্ধের আবহে যাত্রীদের নিয়ে আকাশপথে যাতায়াত করাটা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যাত্রীবাহী বিমানের উপরেও হামলা হতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

Advertisement

ভারতের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএর কাছে চিঠি লিখেছে এয়ারলাইন পাইলটস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘যেসব এলাকায় যুদ্ধ চলছে বা যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার নিকটবর্তী অঞ্চল-এইসব জায়গায় বিমান চলাচল করাটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিমানের যাত্রী, উড়ান কর্মী এবং উড়ান-সব ক্ষেত্রেই বিপদ রয়েছে। ওই অঞ্চলে বিমান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়াটা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার মতো পদক্ষেপ।’ অ্যাসোসিয়েশন জানায়, গত ১৮ মার্চও এই ইস্যুতে ডিজিসিএকে চিঠি দিয়েছিল তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেবার ডিজিসিএ জানিয়ে দেয়, মধ্যপ্রাচ্যে বিমান পরিষেবা সচল রাখা উচিত কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট উড়ান সংস্থাগুলি। এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে পাইলটদের অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থার মতে, যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় কী করা উচিত সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত সরকারের। নির্দিষ্ট উড়ান সংস্থার উপর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কখনই ছাড়া উচিত নয়। পাইলটদের দাবি, ডিজিসিএর উচিত মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আগে খতিয়ে দেখা। ততদিন পর্যন্ত ওই এলাকার সমস্ত উড়ান পরিষেবা বন্ধ থাক।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ। কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চল। হামলায় মৃত্যু হয়েছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। জবাবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক সেনাঘাঁটি ও ইজরায়েলে হামলা চালাচ্ছে ইরান। কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্কের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের বিরাট অংশের আকাশসীমা বন্ধ। এহেন পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিমান ওড়াতে চাইছেন না পাইলটরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.