Ram Mandir Theft Case

সোনাদানা-টাকাপয়সা সব লুট, রামমন্দিরে কোটি টাকার চুরিতে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী!

উবে গিয়েছে বহু সিসিটিভি ফুটেজ, রাম মন্দিরে চুরির তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ইতিমধ্যেই মন্দিরের দু’জন কর্মচারীকে অযোধ্যা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। ‌তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সিটের সদস্যরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ১৬:১৭

options
link
সোনাদানা-টাকাপয়সা সব লুট, রামমন্দিরে কোটি টাকার চুরিতে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী!
ফাইল ছবি।

অযোধ্যার রামমন্দিরে কোটি কোটি টাকার চুরিতে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। যেভাবে রামভক্তদের দান চুরি গিয়েছে, সেটা তো বটেই, মন্দিরের ভেঙে পড়া কাজের পদ্ধতি নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এমনটাই দাবি মন্দির নির্মাণ কমিটির প্রধান তথা অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার নৃপেন্দ্র মিশ্রর।

Advertisement

মন্দির নির্মাণ কমিটির প্রধান মেনে নিচ্ছেন, যে রামমন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) চুরি গিয়েছে। শুধু তাই নয়, মন্দিরের সিস্টেম নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। আর এই দুটি বিষয়েই প্রধানমন্ত্রী উদ্বিগ্ন। নৃপেন্দ্র মিশ্র বলছেন, “আমি বলব প্রধানমন্ত্রী গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তাঁর একটা চিন্তা ভক্তদের টাকা নিয়ে। একই সঙ্গে তিনি উদ্বিগ্ন মন্দিরের সিস্টেম নিয়ে। এখানে একটা পুরোপুরি ভেঙে পড়া সিস্টেম কাজ করছে। আগামী দিনে এই ভেঙে পড়া জরাজীর্ণ সিস্টেমকে কীভাবে ভালো সিস্টেমে পরিণত করা যায়-সেটাই চ্যালেঞ্জ।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে রামমন্দির নিয়ে সম্প্রতি বিস্ফোরক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। বলা হচ্ছে, রামমন্দিরে ভক্তদের দানের কোটি কোটি টাকা চুরি গিয়েছে! প্রাথমিকভাবে টাকাচুরির অভিযোগ নাকচ করে দেয় মন্দির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র স্ট্রাস্ট। পরে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে সন্দেহজনক লেনদেনের হদিশে পেয়েছে ট্রাস্টও। ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্যের উচ্চস্তরীয় বিশেষ তদন্তকারী দল গড়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। ইতিমধ্যেই মন্দিরের দু’জন কর্মচারীকে অযোধ্যা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। ‌তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সিটের সদস্যরা। দুই কর্মচারীর কাছ থেকে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা নগদ এবং সোনাদানা পাওয়া গিয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। কিন্তু ওই তদন্তের কাজটাও কতটা ঠিক মতো হবে তা নিয়েও শঙ্কিত নৃপেন্দ্র মিশ্র।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ওই প্রাক্তন আইএএস বলছেন, “সিসিটিভি ফুটেজের মেয়াদও তো নির্দিষ্ট। ৪৫ দিন পর আর ফুটেজ পাওয়া যায় না। সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবেভাবে মুছে যায়। হ্যাঁ আপনি বলতে পারেন, মুছে যাওয়ার আগেই সেগুলি সংরক্ষণ করা উচিত ছিল।” তবে সব জায়গায় তো রেকর্ড রাখা বা সিসিটিভ রাখা সম্ভব নয়। নৃপেন্দ্র মিশ্রর কথায়, আপনি যদি মন্দিরে গয়না দান করেন, সেটার রশিদ থাকে ফলে হিসাব থাকে। কিন্তু যারা সোজা বিগ্রহের সামনে টাকাপয়সা দিচ্ছে, সোনাদানা দিচ্ছে-সেগুলির কোনও হিসাব থাকে না।” নৃপেন্দ্রর যা ইঙ্গিত তাতে মন্দিরে চুরির তদন্তও বেশ কঠিন হতে চলেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন