শ্বশুরবাড়ির লোকদের নিয়ে যুদ্ধজাহাজে চেপে বেড়াতে গিয়েছিলেন রাজীব, অভিযোগ মোদির

যুদ্ধজাহাজকে প্রাইভেট ট্যাক্সির মতো ব্যবহার করেছিলেন রাজীব, কটাক্ষ মোদির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০১৯, ১১:১৬

options
link
শ্বশুরবাড়ির লোকদের নিয়ে যুদ্ধজাহাজে চেপে বেড়াতে গিয়েছিলেন রাজীব, অভিযোগ মোদির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্বশুরবাড়ির লোকদের সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধজাহাজে করে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। বুধবার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এই অভিযোগই করলেন নরেন্দ্র মোদি। কয়েকদিন আগে রাহুলকে আক্রমণ করতে গিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর জীবন শেষ হয়েছিল ভ্রষ্টাচারী নম্বর ১ হিসেবে।” এরপরই দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষরা প্রতিবাদে সরব হয়ে ওঠেন। রাহুল গান্ধী বলেন, “নিজের কর্মের ফল ভোগ করবেন মোদি।” দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০৭ জন অধ্যাপক লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করে নরেন্দ্র মোদির প্রবল সমালোচনা করেন। নিজের রক্ত দিয়ে চিঠি লিখে তীব্র প্রতিবাদ জানান উত্তরপ্রদেশের আমেঠির এক যুবক। এমনকী কর্ণাটকের এক বিজেপি নেতাও মোদির এই মন্তব্যের সমালোচনা করেন। কিন্তু, তারপরেও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত হচ্ছেন না মোদি।

Advertisement

বুধবারও দিল্লিতে নির্বাচনী সভা করতে গিয়ে রাজীব গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করেন মোদি। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিরাটকে প্রাইভেট ট্যাক্সি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন রাজীব গান্ধী। শ্বশুরবাড়ির লোকদের নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন লাক্ষাদ্বীপ। কংগ্রেসের এই নেতা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নৌসেনার জাহাজ ব্যবহার করে সেনাকে অপমান করেছে। দেশের জলসীমার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকলেও আইএনএস বিরাটকে ব্যক্তিগত যান হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। তবে শুধু আইএনএস বিরাটই নয়, তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বেড়াতে যাওয়ার জন্য নৌসেনার জাহাজ ও বায়ুসেনার হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয়েছে। একটি পরিবার যখন সর্বশক্তিমান হয়ে ওঠে তখনই দেশের নিরাপত্তা সমস্যার মধ্যে পড়ে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন- ‘ঔরঙ্গজেবের মতো শতাধিক মন্দির ধ্বংস করেছেন মোদি’, তীব্র কটাক্ষ কংগ্রেস নেতার]

অভিযোগ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “ইটালি থেকে আসা শ্বশুরবাড়ির লোকদের নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। আমার প্রশ্ন হল, বিদেশিদের যুদ্ধজাহাজ তুলে কি দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে সমঝোতা করা হয়নি। এটা কি দেশের সুরক্ষার প্রশ্নে ঝুঁকি নেওয়া নয়?”

Advertisement

[আরও পড়ুন- ওড়িশার কোরাপুটে নিকেশ তিন মহিলা-সহ ৫ মাওবাদী]

উল্লেখ্য, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে বিমান বহনকারী আইএনএস বিরাটকে ১৯৮৭ সালে ভারতীয় নৌসেনায় অর্ন্তভুক্ত করা হয়। তারপর থেকে ৩০ বছর ব্যবহার করার ২০১৬ সালে এই যুদ্ধজাহাজটিকে বাতিল করে দেওয়া হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.