বয়লার বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ২২, দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রাহুল গান্ধী

মরিশাস সফরে ব্যস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০১৭, ০৩:২০

options
link
বয়লার বিস্ফোরণে মৃত বেড়ে ২২, দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রাহুল গান্ধী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশনের (এনটিপিসি) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২২। এঁদের মধ্যে ১৬ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বিহার, মধ্যপ্রদেশের দু’জন বাসিন্দা রয়েছেন। গুরুতর জখম ১১৭ জন।

Advertisement

বৃহস্পতিবার কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে রায়বরেলি যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই তিনি সুরাট থেকে রওনা দিয়েছেন বলে সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর। টুইটারে তিনি দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। সকালেই তিনি রায়বরেলি পৌঁছবেন, বিকেলে ফের গুজরাটে ফিরে নির্বাচনী প্রচারে যোগ দেবেন। যদিও অসুস্থ হওয়ায় নিজের লোকসভা কেন্দ্র রায়বরেলিতে যেতে পারবেন না সোনিয়া গান্ধী। তবে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট রাজ বব্বরকে তিনি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গিয়েছেন মরিশাস সফরে। টেলিফোনে ও টুইটারে নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বটে, কিন্তু স্থানীয়দের ক্ষোভ, এত বড় দুর্ঘটনার পরও কেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী একবারও এলেন না? বুধবার দুপুরে রায়বরেলি জেলার উনচাহারে বয়লার ফেটে মারাত্মক ঘটনাটি ঘটেছে। বিস্ফোরণের জেরে আগুন লেগে গুরুতর জখম হন অনেকেই। এলাকার এসপি শিবহরি মিনা বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ৫০-৬০ জনকে মারাত্মক ‘বার্ন ইনজুরি’-র কারণে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লখনউ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ১৮ জনকে। এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই মৃতদের পরিবার প্রতি দুই লক্ষ টাকা সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার টাকা এবং আহতদের ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

তবে কীভাবে এই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটল, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। এনটিপিসি-র এক উচ্চপদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, ‘বয়লারের ভিতর বিস্ফোরণ ঘটেছে। পুড়ে যাওয়া কয়লা বার করে দিতে হয়। যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা জমে থাকা কয়লার ছাই বার করছিলেন।’ রাজ্যের মুখ্যসচিব অরবিন্দ কুমার জানিয়েছেন, আহতদের উদ্ধার করে যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিং জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের সেরা হাসপাতালগুলিতে আক্রান্তদের চিকিৎসা হবে। যাঁরা এই দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়েও বেঁচে ফিরে আসতে পেরেছেন, তাঁদের আতঙ্ক যেন এখনও কাটছে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন