Rajnath Singh

সরকারি টাকায় বাবরি মসজিদ বানাতে চেয়েছিলেন নেহরু, রুখে দেন প্যাটেল! বিস্ফোরক দাবি রাজনাথের

নেহরুর সেই মসজিদ বানানোর ইচ্ছায় বাধ সাধেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২৫, ১৫:০৩

options
link
সরকারি টাকায় বাবরি মসজিদ বানাতে চেয়েছিলেন নেহরু, রুখে দেন প্যাটেল! বিস্ফোরক দাবি রাজনাথের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের জনগণের টাকায় বাবরি মসজিদ বানাতে চেয়েছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু! সম্প্রতি এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর আরও দাবি, সরকার অর্থে নেহরুর সেই মসজিদ বানানোর ইচ্ছায় বাধ সাধেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল।

Advertisement

প্যাটেলের ১৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার ভদোদরায় উপস্থিত হয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানেই সাধলি গ্রামে এক জনসভায় উপস্থিত হয়ে সর্দার প্যাটেলকে একজন সত্যিকারের উদারপন্থী এবং ধর্মনিরপেক্ষ নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন রাজনাথ। বলেন, তিনি কখনও তোষণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন না। এরপরই বাবরি মসজিদের প্রসঙ্গ টেনে রাজনাথ বলেন, “পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু জনগণের টাকায় বাবরি মসজিদ নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। তাঁর সেই প্রস্তাবের বিরোধীয় সরব হয়েছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। সরকারি টাকায় তিনি বাবরি মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দেননি।” এর পর নেহরু সোমনাথ মন্দির পুনরুদ্ধারের বিষয় উত্থাপন করলে প্যাটেল স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, এই মন্দিরের প্রসঙ্গ ভিন্ন। কারণ ওই মন্দির পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ৩০ লক্ষ টাকা সাধারণ মানুষ দান করেছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমনাথ মন্দির প্রসঙ্গে রাজনাথ সিং বলেন, “সোমনাথ মন্দিরের কাজে সরকারের থেকে একটি পয়সাও খরচ করা হয়নি। কারণ এই কাজের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছিল। একইভাবে, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য এক টাকাও সরকারের খাতা থেকে খরচ করা হয়নি। এই কাজের পুরো খরচ দেশের জনগণ বহন করেছে। একেই বলা হয় প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতা।” সর্দার প্যাটেলের সঙ্গে অবিচার হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে রাজনাথ বলেন, “নেহরুর সঙ্গে মতভেদ সত্ত্বেও তিনি তাঁর সঙ্গে কাজ করেছিলেন কারণ তিনি মহাত্মা গান্ধীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নেহরু ১৯৪৬ সালে কংগ্রেস সভাপতি হয়েছিলেন কারণ গান্ধীর পরামর্শে প্যাটেল তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিলেন। এতকিছুর পরও কিছু মানুষ ভারতের রাজনীতি থেকে সর্দার প্যাটেলের উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে ইতিহাসের পাতা থেকে তুলে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছেন।”

Advertisement

এর পাশাপাশি নেহরুর সমালোচনা করে রাজনাথ আরও বলেন, “প্যাটেলের মৃত্যুর পর সাধারণ মানুষ তাঁর স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছিল। এই তথ্য জানার পর নেহরু বলেন, “সর্দার প্যাটেল কৃষকদের নেতা ছিলেন, তাই এই অর্থ গ্রামে কূপ এবং রাস্তা তৈরিতে ব্যয় করা উচিত।” একইসঙ্গে বলেন, “ভেবে দেখুন কী ধরনের ভণ্ডামি! কূপ এবং রাস্তা তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব। এর জন্য স্মারক তহবিল ব্যবহারের পরামর্শটি ছিল সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এর থেকে বোঝা যায়, তৎকালীন সরকার যে কোনও মূল্যে প্যাটেলের মহান উত্তরাধিকারকে আড়াল করতে এবং দমন করতে চেয়েছিল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.