INS Aridhaman

আজই নৌসেনা পাচ্ছে দেশের তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন ‘অরিদমন’! ইঙ্গিতবাহী পোস্ট রাজনাথের

আধুনিক রণকৌশল বলছে, একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের উপর অন্য একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র যদি পরমাণু হামলা চালায়, তা হলে এমন ভাবে হামলা চালানো হবে যাতে প্রতিপক্ষের ভূখণ্ডে যত পারমাণবিক পরিকাঠামো রয়েছে, সেগুলির সব ক’টিকে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। সেই কারণেই ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক ক্যাপাবিলিটি’ বা পরমাণু হামলা চালানোর বিকল্প পরিকাঠামো হাতে থাকা জরুরি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৪:৫৩

options
link
আজই নৌসেনা পাচ্ছে দেশের তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন ‘অরিদমন’! ইঙ্গিতবাহী পোস্ট রাজনাথের
নিউক্লিয়ার সাবমেরিন কোথায় লুকিয়ে বুঝতে পারে না শত্রুপক্ষ।

শত্রুর বুকে ভয় ধরিয়ে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত! শুক্রবার ভারতের তৃতীয় দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত পারমাণবিক সাবমেরিন আইএনএস ‘আরিদমন’ (INS Aridhaman) উদ্বোধন করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং! এদিন ইঙ্গিতবাহী পোস্ট করেন রাজনাথ। সেখানে তিনি লিখেছেন, “কেবল কথার কথা নয়, এটি শক্তির প্রতীক। ‘অরিদমন’!” মনে করা হচ্ছে, আজই প্রতিরক্ষামন্ত্রী পারমাণবিক সাবমেরিনটিকে নৌসেনার হাতে তুলে দেবেন।

Advertisement

পারমাণবিক সাবমেরিনের মোটামুটি দু’টি শ্রেণি রয়েছে। যার অন্যতম হল ‘শিপ সাবমার্সিবল ব্যালেস্টিক নিউক্লিয়ার’ বা এসএসবিএন। এরা এক দিকে যেমন পরমাণু শক্তি দ্বারা চালিত, পাশাপাশি পারমাণবিক হামলাতেও সক্ষম। অরিদমন তৈরি করেছে এলঅ্যান্ডটি। বিশাখাপত্তনমের জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্রে এটি নির্মিত হয়েছে। এই ডুবোজাহাজে ৭৫০ কিলোমিটার পাল্লার কে-১৫ এবং অনির্দিষ্ট সংখ্যক কে-৪ পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল থাকবে, যার পাল্লা ৩,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি।

Advertisement

আধুনিক রণকৌশল বলছে, একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের উপর অন্য একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র যদি পরমাণু হামলা চালায়, তা হলে এমন ভাবে হামলা চালানো হবে যাতে প্রতিপক্ষের ভূখণ্ডে যত পারমাণবিক পরিকাঠামো রয়েছে, সেগুলির সব ক’টিকে ধ্বংস করে দেওয়া যায়। সেই কারণেই ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক ক্যাপাবিলিটি’ বা পরমাণু হামলা চালানোর বিকল্প পরিকাঠামো হাতে থাকা জরুরি। স্থলভাগে যে সব পরমাণু পরিকাঠামো রয়েছে, সেগুলিতে প্রতিপক্ষ হামলা চালাতে সক্ষম হলেও সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা পরমাণু অস্ত্রের ক্ষতি করা সম্ভব হয় না।

কারণ পরমাণু অস্ত্র নিয়ে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন কোথায় কখন লুকিয়ে থাকে, তা প্রতিপক্ষ বুঝতেই পারে না। আর সেই কারণেই এই ধরনের সাবমেরিন যত বেশি হাতে থাকবে ততই চিনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের হৃদয়ে কাঁপন ধরাবে ভারত। ১৯৭১-এ ভারত-পাক যুদ্ধের পরই জলপথে পারমাণবিক সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল ভারত। প্রক্রিয়া শুরু হয় তখনই। অবশেষে ২০১৬ সালে শেষের দিকে প্রথম সেনার হাতে আসে ‘অরিহন্ত’। ২০২৪ সালে অরিঘাত পায় সেনা। এবারে তিন নম্বর পারমাণবিক সাবমেরিন অরিদমন পেতে চলেছে নৌসেনা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.