Ram Temple

গোড়াতেই গলদ, একাধিক কর্মীর দিকে সন্দেহের তির! রাম মন্দিরে চুরির প্রাথমিক রিপোর্টে বিস্ফোরক SIT

সর্ষের মধ্যেই ভূত! মন্দির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement ad
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১১:১৫

options
link
গোড়াতেই গলদ, একাধিক কর্মীর দিকে সন্দেহের তির! রাম মন্দিরে চুরির প্রাথমিক রিপোর্টে বিস্ফোরক SIT zoom
রাম মন্দিরে চুরির অভিযোগ। ফাইল ছবি।

দানবাক্স থেকে টাকা সংগ্রহ, টাকা গোনার পদ্ধতি, সিকিউরিটি চেক। রামমন্দিরে অনুদান গ্রহণ এবং ভক্তদের দর্শনের প্রক্রিয়ায় প্রায় প্রতিটি ধাপেই রয়েছে গাফিলতি! চুরির অভিযোগ নিয়ে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে রীতিমতো বিস্ফোরক দাবি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের গঠন করা বিশেষ তদন্তকারী দল বা SIT।

সিটের রিপোর্ট বলছে, মন্দির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদিও এফআইআর দায়ের হবে কিনা, সেটা নির্ভর করছে চূড়ান্ত তদন্তের রিপোর্টের পরই।

মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে রামমন্দিরের চুরির অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করেছে সিট। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, মন্দির ব্যবস্থাপনার প্রায় প্রতিটি স্তরে গলদ রয়েছে। সেটা দর্শণার্থীদের সিকিউরিটি চেক থেকে শুরু করে, দানবাক্স থেকে টাকা বের করা টাকা গোনা। সর্বত্র বদল দরকার। চুরি রুখতে সিটের তরফে একাধিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, এখন থেকে দানবাক্স থেকে টাকা বের করা ও তা পরিবহণের গোটা প্রক্রিয়া ভিডিও করা। বলা হয়েছে, যারা টাকা গুনবেন তাঁদের জন্য বরাদ্দ হচ্ছে বিশেষ পোশাক। যেখানে থাকবে না কোনও পকেট। শুধু তাই নয়, টাকা গোনার পর বাইরে তাঁদের তল্লাশিও করা হবে।

সিটের রিপোর্ট বলছে, মন্দির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদিও এফআইআর দায়ের হবে কিনা, সেটা নির্ভর করছে চূড়ান্ত তদন্তের রিপোর্টের পরই। তবে যদি মন্দিরে চুরি হয়ে থাকে সেটার সঙ্গে যে মন্দিরের কর্মীরাই যুক্ত-তা একপ্রকার স্পষ্ট। শোনা যাচ্ছে, চুরির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর টাকা গণনার পুরো দলটাকে বদলে দেওয়া হয়েছে। এবং মন্দির থেকে টাকা ব্যাঙ্কে নিয়ে যান যারা সেই দলটিকেও বদলে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, রাম মন্দিরের টাকা চুরির বিষয়টি সম্প্রতি এনেছিলেন সপা প্রধান অখিলেশ যাদব। এই বিষয়ে আদালতের তত্ত্বাবধানে হস্তক্ষেপ দাবি করেন অখিলেশ। প্রাথমিকভাবে টাকাচুরির অভিযোগ নাকচ করে দেয় ট্রাস্ট। পরে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে সন্দেহজনক লেনদেনের হদিশে পেয়েছে ট্রাস্টও। এবং ট্রাস্টের তরফেই যোগীর কাছে সিট গঠনের দাবিতে চিঠি দেওয়া হয়। ট্রাস্টের চিঠির পরই ৩ সদস্যের উচ্চস্তরীয় বিশেষ তদন্তকারী দল গড়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। সেই ট্রাস্ট এবার প্রাথমিক রিপোর্ট দিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন