Mohan Bhagwat

‘হিন্দুত্বের আবেগ কমছে, চাই অখণ্ড ভারত’, দাবি RSS প্রধান মোহন ভাগবতের

'হিন্দুত্বের আবেগ কমছে' বলেও দাবি তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২১, ১৫:৫৮

options
link
‘হিন্দুত্বের আবেগ কমছে, চাই অখণ্ড ভারত’, দাবি RSS প্রধান মোহন ভাগবতের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এর আগে তিনি বলেছিলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকই আসলে হিন্দু (Hindu)। কেননা তাদের পূর্বপুরুষ এক। ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। যার সারমর্ম হল ভারত ও হিন্দুত্বকে পরস্পরের থেকে আলাদা করা যায় না। তবে দেশে হিন্দুত্ব নিয়ে আবেগ কমছে বলেই মত তাঁর।

Advertisement

ঠিক কী বলেছেন প্রবীণ আরএসএস নেতা? তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”হিন্দু ছাড়া ভারত হতে পারে না। আবার ভারত ছাড়াও হিন্দু হতে পারে না। এটাই হিন্দুত্বের মূল কথা। আর সেই কারণেই ভারত হিন্দুদের দেশ।”  এ্রপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”আপনারা দেখেছেন হিন্দুত্বের শক্তি ও সংখ্যা দুই-ই কমছে। অথবা বলতে গেলে হিন্দুত্ব নিয়ে আবেগ কমছে। যদি হিন্দুদের হিন্দু থাকতে হয় তাহলে ভারতকে ‘অখণ্ড’ হতে হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: Mann ki Baat: ‘ক্ষমতায় থাকতে চাই না, সেবা করতে চাই’, ‘মন কি বাতে’ বললেন মোদি]

দেশভাগ নিয়েও কথা বলতে শোনা গিয়েছে মোহন ভাগবতকে। তিনি জানিয়েছেন, ”দেশভাগের ফলে দেশ টুকরো হয়ে গেল। জন্ম নিল পাকিস্তান। আমরা ভুলে গিয়েছিলাম আমরা হিন্দু, তাই এমনটা হয়েছিল। মুসলিমরাও এটা ভুলে গিয়েছিল। যাঁরা নিজেদের হিন্দু বলে দাবি করত, প্রথমে তাঁদের শক্তিক্ষয় হয়েছিল। পরে তাঁদের সংখ্যাও কমতে শুরু করেছিল। আর সেই জন্য়ই পাকিস্তান আর ভারতের অংশ থাকেনি।”

Advertisement

এর আগে এক বই উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে মোহন ভাগবত দাবি করেছিলেন, ”দেশভাগের সময় ভারতকে কতটা যন্ত্রণা সইতে হয়েছিল তা যেন ভোলা যায় না।” সেই সময়ই তিনি দেশভাগের সিদ্ধান্ত না হলে কী হত সেকথাও বলেছিলেন। এবার তাঁর কথায় অখণ্ড ভারতের আইডিয়ার সঙ্গে হিন্দুত্ব ও ভারতের আইডিয়াকে মিশে গেল।

[আরও পড়ুন: মুম্বই সফরে মমতার সঙ্গী অভিষেক, শরদ পওয়ার-উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা]

গত সেপ্টেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ”হিন্দু শব্দটির সঙ্গে মাতৃভূমি সমতুল্য। একই ভাবে পূর্বপুরুষ ও ভারতীয় সংস্কৃতিও সমতুল্য। এতে অন্য মতামতের অসম্মান হয় না। আমাদের ভারতীয় আধিপত্য অর্জনের ক্ষেত্রে চিন্তা করতে হবে, মুসলিম আধিপত্য নয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন