Women's Reservation Bill

পরিকল্পনার অভাব, মহিলা সংরক্ষণ বিল ‘ফেল’ করায় ক্ষুব্ধ আরএসএস! চিন্তা ভোট নিয়েও

অনেকেই বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সাফল্যের অন্যতম দেশে আলাদা 'লাভার্থী' শ্রেণি তৈরি করা। সেই লাভার্থী শ্রেণির বেশিরভাগই মহিলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১৭:৩৮

options
link
পরিকল্পনার অভাব, মহিলা সংরক্ষণ বিল ‘ফেল’ করায় ক্ষুব্ধ আরএসএস! চিন্তা ভোট নিয়েও
(বাঁ দিকে) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (ডান দিকে)।

অনেকেই বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সাফল্যের অন্যতম দেশে আলাদা ‘লাভার্থী’ শ্রেণি তৈরি করা। সেই লাভার্থী শ্রেণির বেশিরভাগই মহিলা। যারা একাধিক নির্বাচনে ডিভিডেন্ট দিয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। অথচ বাংলা এবং তামিলনাড়ুর মতো দুই মহাগুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের নির্বাচনের ঠিক আগে আগে মহিলা সংরক্ষণ আইনের মতো আইন পাশ করাতে না পেরে যে ধাক্কাটা খেল বিজেপি, তাতে ক্ষুব্ধ আরএসএ। এমনটাই দাবি এক সংবাদমাধ্যমের।

Advertisement

কয়েক বছর ধরেই বিজেপির যাতে আলাদা মহিলা ভোটব্যাঙ্ক তৈরি হয় সে জন্য তলে তলে সক্রিয় রয়েছে আরএসএস। দু’রাজ্যের ভোটের আগে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill) প্রসঙ্গে যে ভাবে সরকারকে সংসদে পরাস্ত হতে হয়েছে তা মোটেই ভাল চোখে নিচ্ছেন না আরএসএস নেতৃত্ব। সংঘের শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, ওই বিল পাশ করানোর জন্য যা যা পরিকল্পনা করার দরকার ছিল, সেটা সঠিকভাবে করে উঠতে পারেননি মোদি-শাহরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংঘ মনে করছে, বিরোধীদের আস্থা অর্জনের জন্য যা যা পদক্ষেপ করার দরকার ছিল, সেটা সঠিকভাবে করে উঠতে পারেননি অমিত শাহ-নরেন্দ্র মোদিরা। সঠিক পরিকল্পনার অভাব ছিল। বিরোধীদের সঙ্গে আরও ভালো করে আলোচনা করার দরকার ছিল। সংঘ মনে করছে, দুই রাজ্যের ভোটের আগে সংসদে যেভাবে সরকারের পরাজয় হয়েছে, সেটা ভোটেও প্রভাব ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে ভোটের মাত্র দিন কয়েক আগে এভাবে জোরজবরদস্তি অপরিকল্পিতভাবে বিল পাশ করানোর চেষ্টাই বা কেন করা হল, সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে সংঘ।

Advertisement

উল্লেখ্য, ভোটের ঠিক ৩ দিন আগে বিশেষ অধিবেশনে তিনটি বিল পাশ করাতে সক্রিয় হয়েছিল মোদি সরকার। প্রথমটি ছিল, লোকসভা ও বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ। এই বিলের নাম ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’। ভোটাভুটি চলাকালীন বিলটির পক্ষে ২৯৮টি ভোট পড়লেও বিপক্ষে পড়ে ২৩০টি। দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না মেলায় শেষ পর্যন্ত পাশ করানো যায়নি বিলটি। তা নিয়েই ক্ষুব্ধ আরএসএস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন