Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Maharashtra

‘আমার ঐশ্বরিক ক্ষমতা, রুখতে পারবে না’, ‘ধর্ষণে’র আগে তরুণীকে বলেন নাসিকের স্বঘোষিত ধর্মগুরু

অসুস্থ তরুণীকে স্বঘোষিত ধর্মগুরুর কাছে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি জানান, তরুণীকে ভূতে ধরেছে। তিনি সুস্থ করে দেবেন। এক সময় মহিলার মোবাইল ফোনে আপত্তিকর মেসেজ পাঠানো শুরু করেন 'ভন্ডু বাবা'।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ২০:০৭

options
link
‘আমার ঐশ্বরিক ক্ষমতা, রুখতে পারবে না’, ‘ধর্ষণে’র আগে তরুণীকে বলেন নাসিকের স্বঘোষিত ধর্মগুরু zoom
তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ মহেশগিরি বাবার বিরুদ্ধে।
Advertisement

আধ্যাত্মিক চিকিৎসায় সব ধরনের রোগ সারানোর দাবি করতেন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) এক ধর্মগুরু! মানসিক অবসাদগ্রস্ত ২৮ বছরের এক তরুণী সেই কারণেই নাসিকের ‘ভন্ডু বাবা’র শরণাপন্ন হয়েছিলেন। ওই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মহেশ দিলীপ কাকদে। ধর্মগুরু হওয়ার পর নাম নেন মহেশগিরি বাবা। ভক্তেরা তাঁকে ‘ভন্ডু বাবা’ বলেও ডেকে থাকেন। সম্প্রতি বাবার ‘অলৌকিক শক্তি’র কথা জেনে তাঁর কাছে যান এক তরুণী। তিনি পেশায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মী। পারিবারিক অশান্তির কারণে মানসিক অবসাদের মধ্যে ছিলেন। পরিবারের লোকেরা খবর পান, ‘ভন্ডু বাবা’ অলৌকিক শক্তির জোরে রোগ সারিয়ে দেন। সেই মতো আশ্রমে নিয়ে যাওয়া তাঁকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশে দায়ের হওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, অসুস্থ তরুণীকে স্বঘোষিত ধর্মগুরুর কাছে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি জানান, তরুণীকে ভূতে ধরেছে। তিনি সুস্থ করে দেবেন। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে তরুণীর মোবাইল ফোনে আপত্তিকর মেসেজ পাঠানো শুরু করেন ‘ভন্ডু বাবা’। হুমকি দিয়ে তরুণীকে একটি নির্জন জায়গায় ডেকে পাঠান। এর পর গাড়ি চালিয়ে একটি লজে নিয়ে যান। সেখানে অন্তরঙ্গ হওয়ার চেষ্টায় তরুণী বাধা দিলে ভন্ডু বাবা বলেন, “আমার ঐশ্বরিক শক্তি আছে, তুমি আটকাতে পারবে না।” এর পর ধর্ষণের পাশাপাশি তরুণীর একাধিক নগ্ন ছবিও তোলেন অভিযুক্ত।

গোটা বিষয়টি পরিবারকে জানানোর পর ‘ভন্ডু বাবা’ ভন্ড বাবা হয়ে ধরা দেন। হুমকি দেন, পুলিশে খবর দিলেই ভয়ংকর ক্ষতি করে দেবেন তিনি। জোর করে মহিলার ফোন বাজেয়াপ্ত করেন। যাবতীয় প্রমাণ মুছে দেন। প্রাথমিকভাবে ভীত হলেও পরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে ধর্মগুরুর নামে নালিশ করেন নির্যাতিতা। এর পরেই নাসিকের একটি থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.