Mohan Bhagwat

‘এটা সংবিধানের অধিকার’, এবার প্রবলভাবে সংরক্ষণের পক্ষে সওয়াল মোহন ভাগবতের

সংরক্ষণ নিয়ে সংঘ প্রধানের ‘ডিগবাজি।’

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১১:৩৯

options
link
‘এটা সংবিধানের অধিকার’, এবার প্রবলভাবে সংরক্ষণের পক্ষে সওয়াল মোহন ভাগবতের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংরক্ষণের বিরোধিতা করে গত লোকসভা নির্বাচনে হাতেনাতে ফল পেতে হয়েছিল গেরুয়া শিবিরকে। লোকসভায় ৩০২ থেকে নেমে ২৩৫ চলে আসে বিজেপির আসন। সংরক্ষণের বিরোধিতাই প্রধান কারণ বলে চিহ্নিত করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ। এবার সংরক্ষণ ইস্যুতে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন সংঘপ্রধান মোহন ভাগবত। বৃহস্পতিবার তিনি বললেন, “আমরা সংক্রক্ষণ সমর্থন করি। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যেখানে যেমন সংরক্ষণ প্রয়োজন সেখানে তেমন করতে হবে।”

Advertisement

মোহন ভাগবতের বার্তা, আরএসএস ততদিন সংরক্ষণকে সমর্থন করে যাবে যতদিন না সুবিধাভোগীরা নিজেরাই এটাকে অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করে। সংঘপ্রধান বলছেন, “জাতভিত্তিক সংরক্ষণ খুব সংবেদনশীল বিষয়। যারা সমাজের নিচের শ্রেণিতে তাঁদের উপরে তুলে আনতেই হবে। আর যারা উপরেই আছেন তাঁরা নিচুতলাকে উপরে তুলতে সাহায্য করবে।” তাঁর সাফ কথা, “সংঘ বরাবরই সংবিধানভুক্ত সংরক্ষণের পক্ষে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্তরে সংরক্ষণ রয়েছে। এবং তা সংবিধান স্বীকৃত। কিন্ত, ক্ষমতায় আসার কয়েক বছরের মধ্যে এই সংরক্ষণ তুলে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করতে থাকে মোদি সরকার। লেজুড় হয় সংঘ পরিবারও। স্বাধীনতার ৭৭ বছর পর সংরক্ষণের আর প্রয়োজন নেই বলে চিল চিৎকার জুড়ে দেয় গেরুয়া শিবিরের নেতারা। তার ফল ভোগ করতে হয় লোকসভা ভোটে। বাংলা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান-সহ সব রাজ্যেই ভোটবাক্সে প্রভাব পড়ে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছিল বাংলা ও উত্তরপ্রদেশে। এরপরেই সংরক্ষণ নিয়ে নিজেদের অবস্তান বদলাতে শুরু করে সংঘ পরিবার।

Advertisement

বৃহস্পতিবার সংঘ প্রধান জানান, ভারত এমন একটি দেশ যেখানে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, শিখ সরলেই বসবাস করেন। তাই সকলকেই ভারতীয় মনে করতে হবে। আর দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সংরক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ জাতি না এগোলে দেশ এগোবে না। সংরক্ষণ নিয়ে সংঘ প্রধানের ‘ডিগবাজি’ আসলে বিজেপিকে বার্তা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন