freedom of speech

সুস্থ গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, বাকস্বাধীনতায় ইচ্ছামতো লাগাম পরানো যায় না: সুপ্রিম কোর্ট

কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৫, ১২:০৬

options
link
সুস্থ গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, বাকস্বাধীনতায় ইচ্ছামতো লাগাম পরানো যায় না: সুপ্রিম কোর্ট
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাকস্বাধীনতা রক্ষার গুরুদায়িত্ব নিতে হবে আদালকেই। কংগ্রেস সাংসদ ইমরান প্রতাপগড়ির মামলায় তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যসভার সাংসদ ইমরান ইনস্টাগ্রামে একটি কবিতা পোস্ট করেছিলেন। সেই কবিতার প্রতিবাদে এফআইআর দায়ের হয় জামনগরে। তবে সেই এফআইআর খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সঙ্গে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইচ্ছামতো বাকস্বাধীনতায় লাগাম পরানো যায় না।

Advertisement

সম্প্রতি স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান কুণাল কামরার ঘটনা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডেকে ‘গদ্দার’ তকমা দিয়ে শিণ্ডে সমর্থকদের কোপের মুখে পড়েছেন। মুম্বইয়ের খার এলাকার যে হোটেলের ভিতর ‘হ্যাবিট্যাট’ নামের স্টুডিওয় শো করেছিলেন তিনি, সেখানেও কার্যত ধ্বংসলীলা চালায় শিবসেনা সমর্থকরা। তাঁকে সমন পাঠানো হয়েছে মুম্বই পুলিশের তরফে। এহেন পরিস্থিতিতেই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করল শীর্ষ আদালত।

Advertisement

বিচারপতি অভয় এস ওকা এবং উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চে কংগ্রেস সাংসদের মামলার শুনানি শুরু হয় শুক্রবার। প্রথমেই ইমরানের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত। সঙ্গে দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধের প্রমাণ নেই। বরং গুজরাট পুলিশ যেভাবে অতি উৎসাহী হয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটা নিন্দনীয়। তাছাড়া বাকস্বাধীনতায় ইচ্ছামত লাগাম পরানো যায় না, তার জন্য যথেষ্ট যুক্তি থাকা দরকার। সংবিধানের ১৯ (২) অনুচ্ছেদ কখনই ১৯ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত অধিকারকে ছাপিয়ে যেতে পারে না।

Advertisement

দুই বিচারপতির বেঞ্চ আরও বলেছে, “কথা বলা এবং ভাবনাচিন্তার স্বাধীনতা না থাকলে সসম্মানে জীবন কাটানো অসম্ভব। যেকোনও সুস্থ গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকলে সেটা যুক্তি দিয়ে বিরোধিতা করা উচিত, দমনপীড়নের মাধ্যমে নয়। বাকস্বাধীনতা রক্ষার জন্য অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে আদালতকেই।” প্রসঙ্গত, ইমরানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজ করতে চায়নি গুজরাট হাই কোর্ট। তাদের দাবি ছিল, জনপ্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেছেন ইমরান। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস সাংসদ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.