Yasin Malik

তিহার জেলে অনশন শুরু কাশ্মীরের কুখ্যাত জঙ্গিনেতা ইয়াসিন মালিকের

ইয়াসিনকে যাবজ্জীবন জেলের সাজা দিয়েছে আদালত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২২, ০৯:৩০

options
link
তিহার জেলে অনশন শুরু কাশ্মীরের কুখ্যাত জঙ্গিনেতা ইয়াসিন মালিকের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিহার জেলে অনশন শুরু করল জম্মু ও কাশ্মীরের কুখ্যাত জঙ্গিনেতা ইয়াসিন মালিক। তার অভিযোগ, বিচারপ্রক্রিয়ায় গলদ রয়েছে। তাই তার বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত মামলার ‘সঠিকভাবে’ তদন্ত করতে হবে। এই দাবিতে শনিবার সকাল থেকেই খাবার ও জল ত্যাগ করেছে সে।

Advertisement

সূত্রের খবর, অনশন ভাঙাতে মালিকের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন তিহার জেলের (Tihar Jail) আধিকারিকরা। কিন্তু নিজের দাবি থেকে সরছে না সে। তার বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ রয়েছে, বিশেষ করে রুবাইয়া সইদ অপহরণ মামলায় ফের ‘সঠিক’ তদন্তের দাবি জানিয়েছে নিষিদ্ধ কাশ্মীরি জঙ্গি সংগঠন ‘জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট’ (জেকেএলএফ) প্রধান ইয়াসিন মালিক। বলে রাখা ভাল, নব্বইয়ের দশকে কাশ্মীরে (Kashmir) ত্রাস হয়ে উঠেছিল জেকেএলএফ। ‘স্বাধীনতার’ নামে সেনা জওয়ান থেকে শুরু করে নিরীহ জনতাকে নিশান করেছিল পাক মদতপুষ্ট ওই জেহাদি সংগঠনটি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ইয়াসিন মালিককে নিয়ে মেহবুবার বিতর্কিত মন্তব্য, পালটা তোপ শহিদ বায়ুসেনা অফিসারের স্ত্রীর]

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার পর উপত্যকায় জোর ধরপাকড় শুরু করে ভারতীয় সেনা। তখনই ইয়াসিন মালিক-সহ বেশ কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার জঙ্গিযোগের প্রমাণ সামনে আসে। উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদীদের অর্থ জোগান দেওয়ার অভিযোগে ইয়াসিন মালিককে গ্রেপ্তার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ২০২০-এর মার্চে মালিক ও টার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে টাডা ও অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়। অভিযোগপত্রে সাফ বলা হয়, ১৯৯০-এর জানুয়ারি মাসে শ্রীনগরে বায়ুসেনা আধিকারিকদের হামলায় জড়িত ছিল তারা।

Advertisement

দীর্ঘদিন মামলা চলার পর আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে মালিক। গত ২৫শে মে জঙ্গি সংগঠন জেকেএলএফের প্রধান ইয়াসিনকে যাবজ্জীবন জেলের সাজা দেয় এনআইএ-র বিশেষ আদালত। মে মাসের ১৯ তারিখ সন্ত্রাসবাদীদের মদত এবং অর্থসাহায্য মামলায় বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিককে দোষী সাব্যস্ত করেছিল দিল্লির আদালত। সেখানে নিজেই জঙ্গিদের মদত দেওয়ার কথা স্বীকার করে নেয় ইয়াসিন মালিক। সেই বয়ানের ভিত্তিতেই বিচ্ছিন্নতাবাদী এই নেতাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তারপর মালিককে অপহরণকারী হিসাবে চিহ্নিত করেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুফতি মহম্মদ সইদের কন্যা রুবাইয়া সইদ। প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে রুবাইয়াকে অপহরণ করা হয়। শেষ পর্যন্ত পাঁচ জন সন্ত্রাসবাদীর মুক্তির বিনিময়ে রুবাইয়াকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ১৯৯০ সালের প্রথমদিকে এই অপহরণ মামলার দায়িত্ব পেয়েছিল সিবিআই।

[আরও পড়ুন: বাজি জিততে গিয়ে কলেজের পোশাকেই চুম্বন ছাত্রছাত্রীর, ভাইরাল ভিডিও, গ্রেপ্তার ৮]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.