Sheikh Hasina

‘সুদখোর ইউনুস খুনি, ফ্যাসিস্ট’, অবসর জল্পনা উড়িয়ে প্রত্যাবর্তনের বার্তা হাসিনার

বাংলাদেশের জনগণের কাছে হাসিনার আবেদন, "মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জেগে উঠুন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করুন। আমাদের মাতৃভূমির আত্মাকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ২০:৫৯

options
link
‘সুদখোর ইউনুস খুনি, ফ্যাসিস্ট’, অবসর জল্পনা উড়িয়ে প্রত্যাবর্তনের বার্তা হাসিনার
ফাইল ছবি

রাজনৈতিক অবসরের যাবতীয় জল্পনা ফুৎকারে উড়িয়ে প্রত্যাবর্তনের বার্তা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা। শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অডিও বার্তায় বাংলাদেশে উপদেষ্টা সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসকে সুদখোর, ফ্যাসিস্ট, খুনি, দুর্নীতিগস্ত বলে তোপ দাগার পাশাপাশি গোটা দেশে অভ্যুত্থানের ডাক দেন তিনি। বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনের আগে হাসিনার এই বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

দিল্লিতে ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনায় শুক্রবার উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত প্রাক্তন মন্ত্রী ও শিল্পীরা। সেখানেই অডিও বার্তায় হাসিনা বলেন, “একটা সময়ে স্বাধীনতার যে মন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম, সেই একই মন্ত্রে আবারও গোটা দেশকে উঠে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি আমি।” বর্তমান সরকারকে ফ্যাসিবাদী, দুর্নীতিগ্রস্ত বলে তোপ দেগে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্র এখন নির্বাসনে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে গলা টিপে খুন করা হচ্ছে, মানবাধিকার পদদলিত, সর্বত্র হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও তোলাবাজি চলছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে।”

Advertisement

গুরুতর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জনগণের কাছে তাঁর আবেদন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জেগে উঠুন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করুন। আমাদের মাতৃভূমির আত্মাকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে।” নিজের দলের প্রশংসা করে শেখ হাসিনা আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অসাম্প্রদায়িক শক্তিগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আওয়ামি লিগ পুরোনো পার্টি। এবং আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে উদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর”।

Advertisement

শান্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথাও এদিন তুলে ধরেন হাসিনা। সেগুলি হল,

  1. বর্তমান প্রশাসনকে অপসারণ করে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করুন। ভয় দেখিয়ে ভোটারদের যাতে প্রভাবিত না করা হয় তা নিশ্চিত করুন।
  2. অবিলম্বে হিংসা বন্ধ করে বেসামরিক সংস্থাগুলিকে স্বাধীনভাবে কাজ করার অনুমতি দিতে হবে যাতে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা যায়।
  3. সংখ্যালঘু ও মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কেউ হিংসার কবলে না পড়েন।
  4. সাংবাদিক এবং বিরোধী নেতাদের ভয় দেখানো বন্ধ করুন এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনুন।
  5. গত বছরের ঘটনাবলীর পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.