Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Netaji-Anita Bose Pfaff

স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও ‘নির্বাসিত’! নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফেরাতে আর্জি কন্যা অনিতার

যদিও এই প্রথমবার নয়। অতীতেও নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন অনিতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ২০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ২০:০৫

options
link
স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও ‘নির্বাসিত’! নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফেরাতে আর্জি কন্যা অনিতার zoom
ফাইল চিত্র।

সুভাষচন্দ্র বসুকে এক বার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কোন বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি ভয় পান ও ঘৃণা করেন। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাসনে থাকা।” এই কথাটি মনে করিয়ে নেতাজির জন্মদিবসে আরও এক বার তাঁর চিতাভস্ম স্বদেশে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানালেন কন্যা অনিতা বসু পাফ।

জার্মানি থেকে অনিতা লিখেছেন, ভারত স্বাধীন হওয়ার ৭৮ বছর পরেও সুভাষচন্দ্র বসুর পার্থিব অবশেষ মাতৃভূমিতে ফেরানো সম্ভব হয়নি। তা এখনও ‘নির্বাসিত’ অবস্থায় রয়েছে। অনিতা মনে করিয়েছেন, টোকিওতে বসবাসকারী ভারতীয়দের অনুরোধে রেনকোজি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত নেতাজির পার্থিব অবশেষ ‘কয়েক মাসের জন্য’ নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সম্মত হয়েছিলেন। তার পর ৮০ বছরেরও বেশি অতিক্রান্ত! অনিতার আর্জি, সুভাষচন্দ্রের চিতাভস্ম শেষকৃত্যের জন্য ভারতে ফিরিয়ে আনা হোক।

Advertisement

যদিও এই প্রথমবার নয়। অতীতেও নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন অনিতা। অশীতিপর এই অর্থনীতিবিদ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, বিষয়টি আর টেনে নিয়ে যেতে চান না তিনি। নরসিংহ রাও সরকারের সময় জাপান থেকে সুভাষের চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, মোদির হাত ধরেই তার দ্রুত সমাধান করতে চান তিনি। তাঁর আর্জি, ‘‘নেতাজিকে আর নির্বাসনে রখবেন না! দয়া করে ওঁকে দেশে ফিরতে দিন।’’

অশীতিপর এই অর্থনীতিবিদ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, বিষয়টি আর টেনে নিয়ে যেতে চান না তিনি। নরসিংহ রাও সরকারের সময় জাপান থেকে সুভাষের চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, মোদির হাত ধরেই তার দ্রুত সমাধান করতে চান তিনি।

তবে বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখনও নানা মত রয়ে গিয়েছে। অনেকেরই বিশ্বাস, ১৯৪৫ সালের ১৮ অগস্ট জাপানের একটি সেনাক্ষেত্রে (অধুনা তাইওয়ানের তাইহোকুতে) সামরিক মহড়া চলাকালীন বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান সুভাষচন্দ্র। তাঁর ‘চিতাভস্ম’ বর্তমানে জাপানের রেনকোজির একটি বৌদ্ধ মন্দিরে রাখা রয়েছে। অনিতা আগেই বলেছেন, ‘‘দীর্ঘদিন নেতাজির পরিবারের অনেকেরও বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু নিয়ে ধন্দ ছিল। কিন্তু এখন ওই দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু নিয়ে বেশির ভাগ নথি এবং অন্তত ১১টি তদন্ত রিপোর্ট হাতে এসেছে। তাই তাইপেইয়ের বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু মেনে নেওয়াই উচিত।’’ ওই চিতাভস্ম যে সুভাষেরই, তা প্রমাণে ডিএনএ নমুনা দিয়ে সাহায্য করতে তাঁর অঙ্গীকারের কথাও বলেছিলেন অনিতা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.