Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Naxal

৩৬ ঘণ্টার লড়াইয়ে খতম ১৭, ঝাড়খণ্ডে মাওবাদের মৃত্যুযজ্ঞে আহুতি নিরাপত্তাবাহিনীর

গত বৃহস্পতিবার সারেন্ডার জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জনের। শুক্রবার এখানে আরও ২ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। গোটা পাহাড় ঘিরে এখনও চলছে অভিযান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ২০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ২০:৩৭

options
link
৩৬ ঘণ্টার লড়াইয়ে খতম ১৭, ঝাড়খণ্ডে মাওবাদের মৃত্যুযজ্ঞে আহুতি নিরাপত্তাবাহিনীর zoom
আইইডি বিস্ফোরণে ৩ জওয়ানের মৃত্যু ছত্তিশগড়ে।

মাওবাদকে দেশ থেকে মুছে ফেলতে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই লক্ষ্যপূরণে অভিযানের ঝাঁজ আরও বাড়াল নিরাপত্তাবাহিনী। ঝড়খণ্ডের জঙ্গলে টানা ৩৬ ঘণ্টা ধরে চলা অভিযানে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হল ১৭ জন মাওবাদীর। গত বৃহস্পতিবার সারেন্ডার জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছিল ১৫ জনের। শুক্রবার এখানে আরও ২ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। গোটা পাহাড় ঘিরে এখনও চলছে অভিযান।

জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলার সারেন্ডার ঘন জঙ্গলে মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবর আসে নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে। এরপরই আটঘাট বেঁধে অভিযানে নামে সিআরপিএফ ও ঝাড়খণ্ড পুলিশ। জঙ্গলের মধ্যে একটি পাহাড় ঘিরে ফেলে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। নিরাপত্তাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে এবং পিছু হঠার জায়গা না পেয়ে মরিয়া হয়ে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। বৃহস্পতিবারই দীর্ঘ গুলির লড়াইয়ের পর ১৫ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া যায়।

Advertisement

মৃতদের তালিকায় ছিলেন, মাওবাদী নেতা পাতিরাম মাঝি ওরফে অনল। সিপিআই (মাওবাদী)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির এই সদস্যের মাথার দাম ছিল ২.৩৫ কোটি টাকা। ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও এনআইএ মিলিতভাবে এই বিপুল মাথার দাম ঘোষণা করেছিল এই নেতার।

বর্তমানে অনলের প্ল্যাটুনেই মাও বঙ্গ ব্রিগেড ঝাড়খন্ডে কাজ করতো। পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে সমীর সোরেন ওরফে সুরেন্দ্রনাথ সোরেনের।

২০০৯-১০ সাল নাগাদ যুধিষ্ঠির মাহাতো ওরফে অর্জুন নামে একজন মাও সদস্যের হাত ধরে সমীর সিপিআই (মাওবাদী)-র সংগঠনে নাম লিখিয়েছিলেন। তখন থেকেই তিনি সিপিআই (মাওবাদী)-দের বাংলার স্কোয়াডে কাজ করছিলেন। তার বাড়ি দক্ষিণ বাঁকুড়ার বারিকূল থানার ইন্দকুড়িতে। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে আনমোল ওরফে সুশান্তের। ঝাড়খণ্ড সরকারের তরফে এর মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ২৫ লক্ষ টাকা, ওড়িশা সরকারের তরফে ৬৫ লক্ষ টাকা। মৃতদের তালিকায় একাধিক মহিলা কমান্ডারও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

পাশাপাশি এই অপারেশনের প্রধান মাইকেল রাজ এস বলেন, এই অভিযানে ১৭ জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মাওবাদীদের খোঁজে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। ওই এলাকায় লুকিয়ে থাকা কোনও মাওবাদীকে রেয়াত করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.