Shravan Singh

ছুটছে মিসাইল, পড়ছে বোমা! সিঁদুরে লড়াইয়ে জওয়ানদের তৃষ্ণা মিটিয়ে পুরস্কৃত নির্ভীক বালক

বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চায় শ্রবণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৯:১৬

options
link
ছুটছে মিসাইল, পড়ছে বোমা! সিঁদুরে লড়াইয়ে জওয়ানদের তৃষ্ণা মিটিয়ে পুরস্কৃত নির্ভীক বালক
রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার নিচ্ছে শ্রবণ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন সীমান্তে ভারতীয় সেনার সহায় হয়ে উঠেছিল ১০ বছরের এক বালক। ভয়ংকর যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও নিয়মিত সেনা জওয়ানদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিল প্রয়োজনীয় রসদ। দেশপ্রেমের পুরস্কার স্বরূপ শ্রবণ সিং নামে সেই বালকের হাতে উঠল ‘প্রধানমন্ত্রী বাল পুরস্কার ২০২৬’। ভারতীয় সেনার সর্বকনিষ্ঠ সিভিল ওয়ারিয়র হিসেবে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে এই সম্মান গ্রহণ করল শ্রবণ।

Advertisement

পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া শ্রবণের দেশপ্রেমের এই অসাধারণ কর্মকাণ্ড নজরে আসে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন। ভয়াবহ সেই যুদ্ধ চলাকালীন পাঞ্জাবের ভারত-পাক সীমান্তবর্তী অঞ্চলে মোতায়েন সেনা জওয়ানদের সাহায্যে এগিয়ে যায় ওই বালক। গুরুতর ওই পরিস্থিতির মাঝেই নিয়মিত সেনার কাছে সে পৌঁছে দিচ্ছিল জল, চা, দুধ, লস্যি আর বরফ। শুধু তাই নয়, বিপজ্জনক ওই পরিস্থিতিতে শ্রবণ সেনা জওয়ানদের কাছে প্রস্তাব দেন প্রয়োজনে নিজের বাড়িতে থাকার। শ্রবণের সেই প্রস্তাব মন কেড়ে নিয়েছিল কর্তব্যে অবিচল সেনা জওয়ানদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শ্রবণের এই কর্মকাণ্ড নজরে আসার পর ইতিমধ্যেই তাকে স্বীকৃতি দিয়েছে সেনার শীর্ষকর্তারা। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, শ্রবণের শিক্ষার যাবতীয় দায়িত্ব নেবে তাঁরা। যাতে এই নির্ভীক বালক পড়াশুনো চালিয়ে যেতে পারে ও তাঁর স্বপ্নপূরণ করতে পারে। অবশেষে দেশের সর্বোচ্চ শিশু সম্মান প্রধানমন্ত্রী বাল পুরস্কার পাওয়ার পর যারপরনাই খুশি শ্রবণ। ওই বালকের কথায়, “আমি ভালোবেসেই দেশের সেনাকে সাহায্য করতাম। ওরা আমায় বিশেষ উপহার দিয়েছে একসঙ্গে বসে খাবার খেয়েছি, আইসক্রিম খেয়েছি। আমি নিজেও বড় হয়ে সৈনিক হয়ে দেশের সেবা করতে চাই।” ছেলে যে এমন অনন্য সম্মান পেয়েছে তা বিশ্বাস করতে পারছেন না শ্রবণের বাবা সোনা সিং। তিনি বলেন, “আমার ছেলে প্রথম দিন থেকেই সেনা জওয়ানদের সেবা করে আনন্দ পেত। জল-খাবার নিয়ে ও যখন সেনা জওয়ানদের কাছে যেত আমরা গর্বিত হতাম। ওর জীবনের একটাই স্বপ্ন। তা হল, বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.