গোয়া

সংক্রমণ রুখতে পদক্ষেপ, গোয়ায় থামবে না দিল্লি থেকে আসা শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন

রবিবার শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন না থামানোর ঘোষণা করেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২০, ১২:০৬

options
link
সংক্রমণ রুখতে পদক্ষেপ, গোয়ায় থামবে না দিল্লি থেকে আসা শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোয়ায় থামবে না দিল্লি থেকে আসা শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন। সংক্রমণ রোধ করতেই রবিবার এই ঘোষণা করেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত (Pramod Sawant)। কোঙ্কন রেল কর্তৃপক্ষকে গোয়ায় শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন না থামানোর জন্য আগেই অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি। 

Advertisement

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত ঘোষণা করেছিলেন যে গোয়া সংক্রমণ মুক্ত। পর্যটকদের আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোথায় কী? মাত্র দুদিনের মধ্যেই মুম্বইতে আটকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি গোয়ায় যান। তারপরেই ফের সংক্রমণ দেখা দেয়। সপ্তাহের শেষের দিকে প্রায় ১৮ জনের শরীরে নতুন করে মেলে করোনা ভাইরাসের সন্ধান। ফলে নতুন করে চিন্তার ভাঁজ পড়ে গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর কপালে। তাই দিল্লি-তিরুবনন্তপুরম রাজধানী এক্সপ্রেসটি যাতে গোয়ায় না থামে সেই ব্যবস্থা করতেই উদ্যত হন প্রমোদ সাওয়ান্ত। কোঙ্কন রেলওয়য়ে কর্তৃপক্ষকে তিনি অনুরোধ করেন যাতে দিল্লি-তিরুবনন্তপুরম শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনটিকে গোয়ায় না থামানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “রাজ্যে এখন ১৮ জন করোনা আক্রান্ত রয়েছেন। ভিন রাজ্য থেকে এসে গোয়ায় প্রবেশ করার আগেই এই ১৮ জন সংক্রমিতকে শনাক্ত করা হয়। তবে দিল্লি থেকে এই ট্রেনে আসা ব্যক্তিরা রাজ্যে প্রবেশ করলে রাজ্যে বাড়তে পারে সংক্রমণের মাত্রা। তাই মাদগাঁও স্টেশনে যাতে এই ট্রেন না দাঁড়ায় সেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:করোনা পরীক্ষায় রাজ্যকে সাহায্য, RT-PCR যন্ত্র দিচ্ছে পুরুলিয়ার সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়]

শনিবার ২৮০ জন যাত্রীদের নিয়ে এই ট্রেন দিল্লি থেকে রওনা দেয়। রবিবার সকালে ৩৬৮ জন যাত্রীদের নিয়ে তা তিরুবনন্তপুরম পৌঁছয়। প্রমোদ সাওয়ান্ত বলেন, “দিল্লি-নিজামুদ্দিন এক্সপ্রেসও গোয়ার উপর দিয়েই যাতায়াতের সময় একবার গোয়ায় থামছে। তবে এই ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে এখন ও সংক্রমণ ধরা পড়েনি। যদিও খুব কম যাত্রীরাই এই ট্রেন থেকে মাদগাঁও স্টেশনে নামেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:‘মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় অনুদান খরচের হিসাব দেন না’, খোঁচা বিজেপির রাজ্য সভাপতির]

তবে শুধুমাত্র ট্রেন নয় সড়ক পথে আসা সমস্ত ট্রাকচালকদের ও রাজ্যে প্রবেশের আগে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী। পরীক্ষার পরই তাদের রাজ্যে পর্বেশের অনুমতি দেওয়া হয়। গোয়ায় এখনও পর্যন্ত কোনও গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়নি বলেই জানা যায়। সংক্রমণ রোধ করতে রাজ্যে এসএসসি (SSC) বোর্ডের দশম ও HSC বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাও পিছিয়ে দিয়েছেন তিনি। ২১ মে এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল বলে জানা যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.