Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
RT-PCR

করোনা পরীক্ষায় রাজ্যকে সাহায্য, RT-PCR যন্ত্র দিচ্ছে পুরুলিয়ার সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ ও প্রাণীবিদ্যা বিভাগের দুটি যন্ত্র আসছে SSKM-এ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২০, ০০:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২০, ০০:৫৭

options
link
করোনা পরীক্ষায় রাজ্যকে সাহায্য, RT-PCR যন্ত্র দিচ্ছে পুরুলিয়ার সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয় zoom
Advertisement

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: রাজ্যে আরও বেশি করে করোনা পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল বাংলার প্রান্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের উদ্ভিদ ও প্রাণীবিদ্যা বিভাগে গবেষণার জন্য থাকা আরটি-পিসিআর (RT-PCR) অর্থাৎ রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেস চেন রিঅ্যাকশন যন্ত্রটি রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে তুলে দেবে ওই বিশ্ববিদ্যালয়। উদ্ভিদ ও প্রাণীবিদ্যা বিভাগের একটি করে
দুটি যন্ত্র এসএসকেএম হাসপাতালে যাবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

করোনা পরীক্ষা বাড়াতে সম্প্রতি রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এই যন্ত্রের জন্য বাংলার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আবেদন করে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই যন্ত্র এসএসকেএমে পাঠাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দীপক কর বলেন, “রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ আমাদের কাছে আরটি-পিসিআর যন্ত্র চেয়েছে, যাতে করোনার টেস্ট রাজ্যে আরও বাড়ানো যায়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আমরা ওই যন্ত্র দেব। মহামারিতে এই যন্ত্র দিয়ে আমরা খুব সামান্যই সাহায্য করছি। এই দুটি এসএসকেএম হাসপাতালে যাবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাড়ির পথে মতুয়া ভক্তরা, রাজ্যের উদ্যোগে ফিরলেও সমালোচনায় মুখর বিজেপি সাংসদ]

প্রসঙ্গত, এই যন্ত্রগুলি ভীষণই দামি। মূলত বিদেশ থেকেই আসে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের কাছে করোনা পরীক্ষার জন্য যে যন্ত্র আছে, তা পর্যাপ্ত নয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মলিকুলার বায়োলজিক্যাল ওয়ার্ক বা অনুজীববিদ্যার কাজে এই যন্ত্রগুলি ব্যবহার হয়। তাই স্বাস্থ্য দপ্তর আবেদন করে জানায়, কিছুদিনের জন্য এই মেশিনগুলি যাতে দেওয়া যায়। ইতিমধ্যেই কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকেও এই মেশিন রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এইরকম মেশিনগুলির সাহায্যে রাজ্যে করোনা পরীক্ষার হার আগের চেয়ে বেড়েছে। এখন এক দিনে প্রায় সাত থেকে আট হাজার করে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। এই যন্ত্র দিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে সাহায্যের হাত বাড়ানো ছাড়াও করোনা মোকাবিলায় এই বিশ্ববিদ্যালয় আরও একাধিক পদক্ষেপ নিয়ে নজর কেড়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনা যোদ্ধাদের সুরক্ষায় পিপিই প্রদান, অভিনব উদ্যোগ কুলতলির স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.