নদিয়ায় দলবিরোধী কাজের অভিযোগে ৯ জেলা পরিষদ সদস্যকে সাসপেন্ড করল কালীঘাট তৃণমূল। নামের তালিকা তুলে ধরে সোশাল মিডিয়ায় বিস্তারিত পোস্ট করলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি লিখেছেন,’আরও অনেকের বিরুদ্ধে দলীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ কার্যত হুঁশিয়ারির সুরেই তিনি জানান, ‘একা দল করব আমরা কিন্তু এই স্বার্থপর গদ্দারদের চিহ্নিত করে দল থেকে দূর করা উচিত।’
প্রণয় ঘোষ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচনে উপস্থিত থেকে বিজেপিকে সমর্থন করার অভিযোগে আরও আট সদস্যের বিরুদ্ধে দলীয় পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
নদিয়ায় দলবিরোধী কার্যকলাপ এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচনে বিজেপিকে সমর্থনের অভিযোগে ৯ জেলা পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে দলীয় পদক্ষেপ করল তৃণমূল কংগ্রেস। এর মধ্যে জেলা পরিষদ সদস্য প্রণয় ঘোষ চৌধুরীকে ছ’বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাকি আট সদস্যের বিরুদ্ধেও সাসপেনশনের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলেও, তাঁদের ক্ষেত্রে সাসপেনশনের মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র নিজের সোশাল মিডিয়ায় দলীয় প্যাডে প্রকাশিত নথি পোস্ট করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তাঁর পোস্টে প্রণয় ঘোষ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচনে উপস্থিত থেকে বিজেপিকে সমর্থন করার অভিযোগে আরও আট সদস্যের বিরুদ্ধে দলীয় পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে।
মহুয়া মৈত্রের পোস্ট অনুযায়ী, ওই আট সদস্য হলেন অর্চনা ব্রহ্ম, চম্পা ঘোষ, রেজিনা খাতুন, তমিজউদ্দিন শেখ, নজরুল বিশ্বাস, শানন্যা ঘোষ, সিরাজ শেখ এবং মল্লিকা চট্টোপাধ্যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে সভাধিপতি নির্বাচনে উপস্থিত থেকে বিজেপিকে সমর্থন করার অভিযোগ রয়েছে।
মহুয়া মৈত্রের পোস্ট অনুযায়ী, ওই আট সদস্য হলেন অর্চনা ব্রহ্ম, চম্পা ঘোষ, রেজিনা খাতুন, তমিজউদ্দিন শেখ, নজরুল বিশ্বাস, শানন্যা ঘোষ, সিরাজ শেখ এবং মল্লিকা চট্টোপাধ্যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে সভাধিপতি নির্বাচনে উপস্থিত থেকে বিজেপিকে সমর্থন করার অভিযোগ রয়েছে। মহুয়া মৈত্রের সমাজমাধ্যমের পোস্ট লেখেন, ‘দল বিরোধী কার্যকলাপের জন্য জেলা পরিষদ মেম্বার প্রণয় ঘোষ চৌধুরীকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হলো। এর সঙ্গে ৮ জন মেম্বার যারা বিজেপি সভাধিপতি ভোটে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণ করেছে, তাদেরও সাসপেন্ড করা হল। আগামীদিনে আরও অনেকের বিরুদ্ধে দলীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একা দল করব আমরা কিন্তু এই স্বার্থপর গদ্দারদের চিহ্নিত করে দল থেকে দূর করা উচিত।’
উল্লেখ্য, জেলা পরিষদে অনাস্থা আনার ক্ষেত্রে প্রণয় ঘোষ চৌধুরী এবং তাঁর অনুগামীদের ভূমিকা ছিল বলে জানা গিয়েছে। অনাস্থা প্রক্রিয়ায় একাধিক জেলা পরিষদ সদস্যের ভূমিকা থাকার পরেও শুধুমাত্র প্রণয় ঘোষ চৌধুরীকে কেন ছ’বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও দলের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্রের সমাজমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে প্রকাশিত তথ্যের বিষয়ে প্রণয় ঘোষ চৌধুরী-সহ সাসপেন্ড হওয়া অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে একদিকে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে প্রণয় ঘোষ চৌধুরীর ছ’বছরের সাসপেনশন, অন্যদিকে সভাধিপতি নির্বাচনে বিজেপিকে সমর্থনের অভিযোগে আরও আট জেলা পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ—এই সিদ্ধান্ত ঘিরে নদিয়ার তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’
-
তসরের পাঞ্জাবিতে ঠিক যেন বর! প্রাক্তন স্ত্রী সুস্মিতা মা হতেই এবার বিয়ের পিঁড়িতে সব্যসাচী?
-
হাতে ৩৫ লাখি ব্যাগ, ২১ লক্ষের ঘড়ি পরে সংসদে ‘ক্যুইন’, মহুয়ার পর চর্চায় কঙ্গনার ‘ব্যাগবতী’
-
কলকাতায় আসার ঝঞ্ঝাট নেই, এবার চাকদহ থেকে সোজা শিলিগুড়ি! এসি বাস চালু এ সপ্তাহেই
-
ওয়ানডে বিশ্বকাপের দলে ঢুকতে কী করতে হবে? এবার ‘ব্রাত্য’ শামির জন্য এগিয়ে এলেন জাহির খান