সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তল্পিতল্পা গুটিয়ে আপকে ঘর ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল অনেক আগেই। যদিও লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে কিছুদিনের জন্য কেজরির দলকে ছাড় দিয়েছিল আদালতের। তবে আর নয়, দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ চত্বর থেকে আম আদমি পার্টির সদর দপ্তর সরাতে আপকে চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিল শীর্ষ আদালত। আগামী ১০ অগাস্টের মধ্যে ওই জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আপের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল দিল্লি হাইকোর্টের জমি দখল করে আম আদমি পার্টি তাদের দলীয় অফিস তৈরি করেছে। এই মামলায় বিতর্কিত ওই জমি খালি না করায় এর আগেও সুপ্রিম ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল আপ। গত মার্চ মাসে আদালত জানিয়েছিল আপকে ওই জমি খালি করতে হবে। যদিও আপের আইনজীবী আবেদন জানান, এভাবে নির্বাচনের আগে কোনও রাজনৈতিক দলকে রাস্তায় নামিয়ে দেওয়া উচিত নয়। সে কথা মাথায় রেখে ১৫ জুন পর্যন্ত আম আদমি পার্টিকে সময় দিয়েছিল আদালত। তবে জমি খালির জন্য আরও সময় চেয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানায় কেজরির দল।
[আরও পড়ুন: শপথ নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কাজ শুরু মোদির, আবাস যোজনায় বড়সড় বদল?]
তাঁদের সেই দাবি মেনে নিয়ে আরও কিছুটা সময় দেওয়া হয় আদালতের তরফে। আদালত জানায়, আগামী ১০ অগাস্ট আপের জন্য শেষ সময়। ওই দিনের মধ্যেই দখল করে রাখা জমি হস্তান্তর করতে হবে আম আদমি পার্টিকে। আর কোনও রকম অনুরোধ আদালত মানবে না। এটাই চূড়ান্ত সময়সীমা। পাশাপাশি দলীয় দপ্তরের জন্য বিকল্প জমি পেতে কেজরিওয়ালের দলকে দিল্লির ‘জমি ও উন্নয়ন দপ্তরের’র দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ আগেই দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে তীর্থযাত্রীদের বাসে হামলায় বাড়ল মৃতের সংখ্যা, শুরু NIA তদন্ত, জঙ্গিদের তল্লাশিতে সেনা]
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে রাউস এভিনিউয়ের ওই সরকারি বাংলো দখল করে আম আদমি পার্টির দপ্তর বানানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে আপের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি হাইকোর্টের পরিধি বাড়ানোর জন্য আপকে ওই জমি খালি করে দিতে বলা হয়। যা নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত।
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর