Ballot Voting

‘ব্যালটের সময় কী হত আমরা জানি’, ইভিএম-ভিভিপ্যাট মিলিয়ে দেখার দাবিতে জানাল সুপ্রিম কোর্ট

ইভিএম বিকৃতি প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানাচ্ছে, এটা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৪, ১৬:৩২

options
link
‘ব্যালটের সময় কী হত আমরা জানি’, ইভিএম-ভিভিপ্যাট মিলিয়ে দেখার দাবিতে জানাল সুপ্রিম কোর্ট
ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যখন ব্যালটে ভোট হত, তখন কী হত সেটাও জানা আছে। এভাবেই পুরনো ভোটপদ্ধতিতেও কারচুপি হত বলে জানাল সুপ্রিম কোর্ট। ইভিএমের ভোটের সঙ্গে ভিভিপ্যাট স্লিপ মিলিয়ে দেখার আর্জিতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি ছিল মঙ্গলবার। সেখানেই শীর্ষ আদালত গোপন ব্যালট পদ্ধতির সমস্যা নিয়ে মন্তব্য করল।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ইভিএম (EVM) এবং ভিভিপ্যাটের ভোটার স্লিপ মিলিয়ে দেখার দাবি দীর্ঘদিনের। আবেদনকারীদের বক্তব্য, ভিভিপ্যাটের তথ্য ও ইভিএমে পড়া ভোটের মধ্যে পার্থক্যের বিস্তর অভিযোগ ওঠে। তাই সব ভিভিপ্যাট স্লিপ গণনা করা উচিত। সেপ্রসঙ্গেই বিচারপতি সঞ্জীব খান্নাকে এদিন বলতে শোনা যায়, ”আমরা ষাট পেরিয়ে গিয়েছি। আমরা সবাই জানি, যখন ব্যালট (Ballot) ছিল তখন কী হত। আপনারাও হয়তো জানেন। কিন্তু আমরা ভুলে যাইনি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা, কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?]

এদিন মামলার অন্যতম আবেদনকারী প্রশান্ত ভূষণ বলেন, ”আমরা পেপার ব্যালটে ফিরে যেতেই পারি। আর একটা অপশন হল ভিভিপ্যাট স্লিপ ভোটারদের দিয়ে দেওয়া। অন্যথায় স্লিপ মেশিনে পড়ে গেলে সেই স্লিপ ভোটারদের হাতে দেওয়া যায়, সেখান থেকে তাঁরা তা ব্যালট বাক্সয় ফেলে দিতে পারবেন। কিন্তু ভিভিপ্যাট ডিজাইন বদলে গিয়েছে। হওয়া উচিত ছিল স্বচ্ছ কাচের। কিন্তু করা হয়েছে অন্ধকার অস্বচ্ছ কাচের। কেবলমাত্র ৭ সেকেন্ড সময়ে তা দৃশ্যমান হবে, যখন আলোটা জ্বলবে।” এর পর প্রশান্ত ভূষণ জার্মানির উদাহরণ দেন। বলেন, জার্মানির মতো দেশ ইভিএম থেকে ব্যালটে ফিরে গিয়েছে। সেই সময় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত প্রশ্ন করেন, জার্মানির জনসংখ্যা কত। প্রশান্ত জবাবে ৬ কোটি বললে তখনই বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, ”৯৭ কোটি হল এদেশের রেজিস্টার্ড ভোটারের সংখ্যা! আমরা জানি, ব্যালট পেপারের সময় কী হত।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: পড়াশোনা বিদেশে, লন্ডন থেকে CAA’র প্রতিবাদ, চেনেন ভোট ময়দানে নামা তৃণমূলের নয়া প্রার্থীকে?]

পরে বর্ষীয়ান আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়ে প্রস্তাব দেন, অন্তত ভিভিপ্যাট স্লিপের সঙ্গে ইভিএমের হিসেব মিলিয়ে দেখা হত। যা শুনে বিচারপতি খান্না প্রশ্ন তোলেন, ”হ্য়াঁ, সেক্ষেত্রে ৬০ কোটি ভিভিপ্যাট স্লিপ গুনে দেখতে হবে। তাই তো?” এর পরই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিচারপতি জানান, ”মানুষ হস্তক্ষেপ না করলে যন্ত্র সঠিক ফলাফলই জানায়। সমস্যা তখনই হয়, যখন মানুষ হস্তক্ষেপ করে অথবা সফটওয়্যার বা মেশিনে অননুমোদিত পরিবর্তন করে দেয়। যদি সেটাকে এড়ানোর কোনও পরামর্শ থাকে তাহলে তা আমাদের জানাতে পারেন।” পরে শীর্ষ আদালত (Supreme Court) ইভিএম বিকৃতি প্রসঙ্গে জানায়, এটা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন