ব্রিটিশদের থেকে ভারতের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিয়েছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (আইএনএ)। সরকারি স্তরে এই ঘোষণার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সোমবার এই মামলা খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, মামলাকারী সস্তা প্রচারের লোভে এই মামলা দায়ের করেছেন। একই ব্যক্তি অতীতেও একই ধরনের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন।
মামলায় কী দাবি করা হয়েছে?
আবেদনকারীর দাবি, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে ‘জাতির সন্তান’ হিসাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। এছাড়াও ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবরকে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবস এবং ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। মামলাকারী চান যে রাষ্ট্র ঘোষণা করুক, সহিংস বিপ্লবীদের এবং নেতাজির আইএনএ (আজাদ হিন্দ ফৌজ)-এর কর্মকাণ্ডই প্রকৃতপক্ষে ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে ভারতকে (ভারতকে) স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল। এছাড়াও ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার নেপথ্যের প্রকৃত সত্য প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। ব্রিটিশরা কীভাবে এবং ঠিক কী কারণে ভারত ছেড়েছিল, তা প্রকাশ্যে আনার দাবি জানানো হয়েছে জনস্বার্থ মামলায়।
যদিও প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ, বারবার অপ্রাসঙ্গিক ভাবে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। যদিও অতীতে এই মামলা খারিজ হয়েছিল। আবেদনকারীর দায়ের করা কোনও রিট পিটিশন যেন গ্রহণ না করা হয়, রেজিস্ট্রিকে এমন নির্দেশ দেওয়ার সময় প্রধান বিচারপতি হুঁশিয়ারির সুরে মন্তব্য করেন, “এর পর আপনার সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে।”
সর্বশেষ খবর
-
শহরের স্কুলে নতুন করে অসুস্থ ৭, হস্টেল ছুটির সিদ্ধান্ত, পরীক্ষা করা হচ্ছে পানীয় জল
-
ক্ষুদিরামের আত্মবলিদানই সুভাষচন্দ্রের অনুপ্রেরণা, গায়ে কাঁটা দেওয়া অগ্নিযুগের গল্প
-
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের ক্যাপ্টেন, প্রাক্তন নাইটের হাত ধরে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলবে রোনাল্ডোর দেশ?
-
পড়ুয়াদের কর্মমুখী করে তুলতে স্কটিশ চার্চ কলেজের অভিনব উদ্যোগ, পাশে শিল্পজগৎ
-
স্বাধীনতা দিবস বয়কটের ডাক উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিন জঙ্গি সংগঠনের! নজরদারি চিকেনস নেকে