Supreme Court

‘আন্দোলন হলেই সেখানে লাঠিচার্জ করা যায় না’, বলল সুপ্রিম কোর্ট

শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয় সংবিধান। তাই আন্দোলন হলেই সেখানে লাঠিচার্জ করা যায় না। সোমবার এমন মন্তব্যই করল সুপ্রিম কোর্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৬, ১৩:২৪

options
link
‘আন্দোলন হলেই সেখানে লাঠিচার্জ করা যায় না’, বলল সুপ্রিম কোর্ট
গত ২০ মে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে সংসদ অভিযানে নেমেছিল লক্ষাধিক পড়ুয়া।

শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয় সংবিধান। তাই আন্দোলন হলেই সেখানে লাঠিচার্জ করা যায় না। সোমবার এমন মন্তব্যই করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। গত ২০ মে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে সংসদ অভিযানে নেমেছিল লক্ষাধিক পড়ুয়া। সেখানে দিল্লি পুলিশ লাঠি চালায়। গোটা ঘটনায় তদন্তের দাবিতে আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানি চলাকালীনই এই মন্তব্য।

Advertisement

সোমবার শুনানি চলাকালীন শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, “শান্তিপূর্ণভাবে এবং নিয়ম মেনে প্রতিবাদ সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত। কেবলমাত্র প্রতিবাদ হচ্ছে বলেই কোনও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে লাঠিচার্জ করা যায় না।” ২০মে প্রসঙ্গে আদালতের মত, “পুলিশের আচরণ নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। শুধু তাই নয়, যেসব পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত গিয়ারের ব্যবস্থা কেন ছিল না সেটার জবাব দিতে হবে সরকারকে।” শীর্ষ আদালতের মতে, গোটা দেশের পুলিশকর্মীদের ইউনিফর্ম নিয়ে গাইডলাইনের বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।

Advertisement

উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযানে ব্যাপক লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। মহিলা আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আইনজীবীরা বলেন, আন্দোলনকারী মহিলাদের গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে। অনেকেরই পুলিশি ব্যাজ ছিল না। এই মন্তব্যের সমর্থনে অন্তত ১১০টি ভিডিও রয়েছে বলেও জানান আইনজীবীরা। গোটা ঘটনায় একাধিক দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের হয়। তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ, পুলিশের বডি ক্যামেরার রেকর্ডিং সংরক্ষণের পাশাপাশি আহত প্রতিবাদীদের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিও করা হয়েছে।

Advertisement

অন্যদিকে, বিহারে পড়ুয়াদের প্রতিবাদে একে ৪৭ চালাতে দেখা গিয়েছিল এক পুলিশকর্মীকে। ওই কনস্টেবলের ভিডিও ভাইরাল হয়। গোটা ঘটনায় সুর চড়ান লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সূত্রের খবর, ভাইরাল ভিডিও দেখে ওই পুলিশকর্মীকে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিহারের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব পুলিশ আধিকারিকদের কঠোর শাস্তি চেয়েছেন এই ইস্যুতে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.