SSC Case

ঝুলেই রইল ২৬ হাজার চাকরিপ্রার্থীর ভাগ্য! ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টে শেষ SSC মামলার শুনানি

এদিনও সুপ্রিম কোর্ট জানতে চায়, যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব কি না?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৫, ১৭:১৫

options
link
ঝুলেই রইল ২৬ হাজার চাকরিপ্রার্থীর ভাগ্য! ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টে শেষ SSC মামলার শুনানি
ফাইল ছবি

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে ঝুলেই রইল প্রায় ২৬ হাজার চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ! সোমবারও শেষ হল না এসএসসি মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানি ১০ ফেব্রুয়ারি। ওই দিনই শুনানি শেষ করতে চান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। তারপর রায়দান। এদিনও সুপ্রিম কোর্ট জানতে চায়, যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব কি না?

Advertisement

গত সপ্তাহে শীর্ষ আদালতে এসএসসি-তে চাকরি বাতিল মামলার শুনানি ছিল। আশা ছিল, প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি থাকবে কি না, সেই টানাপোড়েনের মীমাংসা হবে। কিন্তু তা হয়নি। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছিল ২৭ জানুয়ারি। আজও প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে কোনও সুরাহা হল না। বিভিন্ন পক্ষের সওয়াল-জবাব চলে। ‘যোগ্য’ চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর সওয়ালে বাগ কমিটির রিপোর্টের কথা উঠে আসে। গোটা বিষয়টিকে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যতম মামলাকারীর আইনজীবী রউফ রহিমের দাবি, স্কুল সার্ভিস কমিশন, বোর্ড এবং রাজ্য সরকার মোট দেড় হাজার কোটি টাকা তুলেছে। প্রত্যেকে ৫০০ কোটি করে নিয়েছে। চাকরিপ্রাপক পিছু ৭-১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। তাই এসএসসিকে ৫০০ কোটি টাকা জরিমানা করার পক্ষেও সওয়াল করেন বিকাশ। অন্যান্য পক্ষের আইনজীবীদের কথাও শোনার বিচারপতিরা। তবে দিনের শেষে তাঁদের একটাই প্রশ্ন, যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব কি না? আলাদা করা সম্ভব হলে যোগ্যদের রেখে অযোগ্যদের চাকরি বাতিল হবে। এরপরই বিকাশের দাবি, এসএসসি জানেই না কাদের নিয়োগ বৈধ!

Advertisement

কলকাতা হাই কোর্টে মূল মামলার মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি ওঠে, ২০১৬ সালের পরীক্ষার্থীদের ফের পরীক্ষা নেওয়া হোক। কারণ, এটা স্পষ্ট কারা যোগ্য, তাদের আলাদা করতে পারবে না রাজ্য় সরকার। তাই সকলকে ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হোক। এক্ষেত্রে বয়সসীমা তুলে দেওয়া হোক। 

সকল পক্ষে সওয়াল শোনার পর প্রধান বিচারপতি ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্ষ করেছিলেন। কিন্তু এক আইনজীবী বলেন, “ওই দিন সরস্বতী পুজো। কলকাতাজুড়ে এমনকী, আমাদের চেম্বারেও পুজো হয়। ওইদিন আসা অসুবিধা। শুনানি ৪ তারিখ করা হোক।” তারপরই ১০ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্ষ করা হয়েছে। ওইদিনই শুনানি শেষ করতে চান প্রধান বিচারপতি। তারপর রায়দান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.