Telegram

‘টেলিগ্রাম এখন নতুন ডার্ক ওয়েব, ছড়ানো হচ্ছে চাইল্ড পর্ন’, আদালতে দাবি কেন্দ্রের

পরিচয় গোপন রাখার সুবিধাই একে অপরাধী চক্রের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে বলে দাবি মোদি সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৬, ১৬:৩৫

options
link
‘টেলিগ্রাম এখন নতুন ডার্ক ওয়েব, ছড়ানো হচ্ছে চাইল্ড পর্ন’, আদালতে দাবি কেন্দ্রের
টেলিগ্রাম আপাতত নিষিদ্ধ দেশে।

টেলিগ্রাম অ্যাপ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ দেশে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতে টেলিগ্রামকে অভিযুক্ত করে বিস্ফোরক দাবি করল কেন্দ্র। জানাল, টেলিগ্রাম এখন নতুন ডার্ক ওয়েবে পরিণত হয়েছে। এবং সেখানে অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। এমনকী, চাইল্ড পর্ন, জঙ্গি গোষ্ঠীর এজেন্ডা ছড়াতেও তা ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস করার মঞ্চও হয়ে উঠেছে টেলিগ্রাম।

Advertisement

এদিন কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ‘টেলিগ্রাম এখন নতুন ডার্ক ওয়েব। অপরাধীরা দ্রুত টেলিগ্রামে এমন সব লিঙ্ক পোস্ট করে দিচ্ছে যেখানে ক্লিক করলে ডার্ক ওয়েবে ঢোকা যায়। প্রশাসনের পক্ষে এই ধরনের গতিবিধি শনাক্ত করা ও অপরাধীদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, টেলিগ্রামে পরিচয় গোপন রাখার সুবিধাই একে অপরাধী চক্রের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। কেন্দ্রের মতে, ইউজাররা প্রাইভেসি সেটিংসের মাধ্যমে ফোন নম্বর ও টেলিগ্রাম আইডির মতো তথ্য গোপন রাখতে পারেন। ফলে তদন্তকারীদের পক্ষে অ্যাকাউন্টগুলোর নেপথ্যে থাকা প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেই সঙ্গে মোদি সরকারের স্পষ্ট অভিযোগ, মাদক পাচার, সাইবার অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, চাইল্ড পর্নের মতো নানা ভয়ংকর অপরাধের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, ডার্ক ওয়েব হল ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সেই লুকানো অংশ, যেটা খুঁজে পাওয়া যায় না সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে। বরং বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে সেখানে প্রবেশ করা যায়। সাইবার অপরাধ ও অবৈধ লেনদেনের জন্যই মূলত ব্যবহৃত হয় ডার্ক ওয়েব। কেন্দ্রের দাবি, টেলিগ্রামের মাধ্যমেই নেট ভুবনের এই অন্ধকার জগতে ঢোকার লিঙ্ক শেয়ার করা হচ্ছে।
এদিকে ‘নিট’ পরীক্ষার আয়োজক সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) জানিয়েছে, বহু টেলিগ্রাম চ্যানেলের উপরে গত কয়েক মাস ধরেই নজরদারি চালানো হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ‘পেপার লিকড লিট’, ‘রি-নিট ২০২৬’, ‘রি নিট মাফিয়া’র মতো নামের চ্যানেলগুলি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিল প্রকাশ্যে। পরীক্ষার্থীদের থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়েছে। তবে এনটিএ জানিয়েছে, এই ধরনের প্রতিশ্রুতি আসলে প্রতারণা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন