সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী বছরের সাধারণতন্ত্র দিবসে ভারতের প্যারেড ইতিহাসের পাতায় রয়ে যাবে। কারণ এই প্রথম একসঙ্গে এতগুলি দেশের রাষ্ট্রনেতাদের ভারতের ভিআইপি এনক্লোজারে দেখা যাবে। সূত্রের খবর, আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি ভারতে এসে প্যারেড দেখবেন ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীদের। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই খবর জানিয়ে দাবি করেছে, ‘লুক ইস্ট’ নীতির এর চেয়ে বড় সাফল্য সাম্প্রতিক অতীতে পায়নি ভারত। ওই দুই শীর্ষ নেতা ছাড়াও সম্ভবত আরও বেশ কয়েকটি দেশের প্রধানমন্ত্রীরা লালকেল্লাতে বসে ভারতের সামরিক শক্তির প্রদর্শন ও নানা রাজ্যের রঙিন ট্যাবলোর প্রদর্শনী দেখবেন।
[দেশের প্রথম ভোটারের জন্য এলাহি আয়োজনের বন্দোবস্ত কমিশনের]
ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী গ্যুয়েন শুয়ান ফুক ও সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সেন লুং ছাড়াও সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বিশেষ অতিথি হিসাবে আসতে পারেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকও, খবর সূত্রের। কেন্দ্রের তরফে আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রের শীর্ষনেতাদের আসার খবর সত্যতা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। এই প্রথম ভারতে একসঙ্গে এতগুলি দেশের প্রধানমন্ত্রীরা আসছেন। বস্তুত, ১৯৬৮ ও ১৯৭৪-এ সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে একের বেশি অতিথিরা এসে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৬৮-তে অবিভক্ত যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জসিপ ব্রজ টিটো ও সোভিয়েত ইউনিয়নের আলেক্সেই কোসিজিন ভারতে এসেছিলেন। ১৯৭৪-এ টিটো আবার এসেছিলেন, কিন্তু সেবার তাঁর সঙ্গে ছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী সিরিমা বন্দরনায়েকে।
ভারতের পূর্বে তাকাও নীতির প্রধান দুই স্তম্ভ সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের রাষ্ট্রনেতারা সাধারণতন্ত্র দিবসে আসবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। একে কূটনৈতিক জয় হিসাবেই দেখছে ভারত। আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত ১০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। এমনিতে ভারত-আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি ‘লুক ইস্ট’ পলিসির আওতায় ভারত ভিয়েতনামের সঙ্গে কৌশলগত ও সামরিক বন্ধুত্ব বাড়াতে বেশ কয়েক দফা নীতি গ্রহণ করেছে। চিনা সেনাকে রুখতে ও বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংয়ের দাদাগিরিকে স্তব্ধ করতে ভিয়েতনামকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক কৌশল ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ভারত। শুধু তাই নয়, ভিয়েতনামের পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজাতে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণও দিয়েছে নয়াদিল্লি। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ আগেই জানিয়েছেন, ভারত ও আসিয়ান দেশগুলি বহুদিন ধরেই একে অপরের স্বার্থকে রক্ষা করে এসেছে ও ভবিষ্যতেও করবে। চিন ও পাকিস্তানকে ঠেকাতে আমেরিকা বা ইজরায়েলের মতো বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড় বন্ধুত্ব, অন্যদিকে বহুদিনের সঙ্গী আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গেও সম্পর্কের পারদকে উষ্ণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
[ফের অশান্ত কাশ্মীর, সেনার গুলিতে খতম ২ জঙ্গি]
সর্বশেষ খবর
-
ফের ‘মা’ ফ্লাইওভারে চিনা মাঞ্জায় আহত বাইকচালক, কেন বারবার দুর্ঘটনা? ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রশ্ন মন্ত্রীর
-
ঢাকার অদূরে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, অগ্নিকাণ্ডে মৃত ৭, আহত অন্তত ৪০ শ্রমিক
-
হেরিটেজ ট্যুরিস্ট সার্কিটে বাগবাজার গৌড়ীয় মঠ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
-
রাতের বাইপাসে ভয়ংকর দুর্ঘটনা, বাইকে ধাক্কা অ্যাপ ক্যাবের, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ২
-
রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে জয়শংকর, ভাষণ দেবেন শনিবার