সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আক্রান্ত হয়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে সদ্যই। তাঁর সংস্পর্শে আসা অন্তত ১৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। তারপর সংক্রমণ রুখতে বন্ধ করা হল দিল্লির আজাদপুর মান্ডির অন্তত ৩০০ টি দোকান। এশিয়ার বৃহত্তম পাইকারি বাজার এটি। ফল এবং শাকসবজি কেনাকাটি কয়েক হাজার মানুষ এখানে ভিড় জমান। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রায় একশো একর জমিতে থাকা মান্ডির প্রত্যেক ব্যবসায়ীর করোনা পরীক্ষার বন্দোবস্ত করুক সরকার।
বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভুগছিলেন ওই ব্যবসায়ী। গত ১৪ এপ্রিল তাঁর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট হাতে আসার পরই জানা যায় ব্যবসায়ীর শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ করোনা ভাইরাস। মঙ্গলবারই মৃত্যু হয় ওই ব্যবসায়ীর। তারপর তাঁর সংস্পর্শে আসা ভাগ্নে এবং দোকানের কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে শারীরিক পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়। উত্তর দিল্লির জেলাশাসক দীপক শিণ্ডে বলন, “আর কেউ ওই ব্যবসায়ীর সংস্পর্শে এসেছিলেন কী না, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।”
[আরও পড়ুন: ‘করোনা মারাত্মক নয়, রোগীদের প্রতি ছুঁৎমার্গের ফলেই বাড়ছে মৃত্যু’, দাবি AIMS কর্তার]
এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকে আতঙ্কে কাঁটা ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যে আজাদপুর মাণ্ডির প্রায় ৩০০টি দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাকি যে দোকানগুলি খোলা রয়েছে, সেগুলি যাতে কোনওভাবেই লকডাউনের বিধিভঙ্গ করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রেখেছে প্রশাসন। কোন সময়ে ব্যবসায়ী এবং কোন সময়ে লরি এই বাজারে ঢুকতে পারবে সেই সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট নিয়মানুযায়ী সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ওই বাজার থেকে সবজি, ফল কিনতে পারবেন আমজনতা। তবে কখনওই ওই বাজারে একসঙ্গে ১০০০ জনের বেশি মানুষকে জমায়েত করতে দেওয়া হবে না। ক্রেতাদের ভিড় ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পর রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত লরি ওই বাজারে ঢুকতে পারবে। সেই সময় কোনও ব্যবসায়ী কেনাবেচা করতে পারবেন না।
সর্বশেষ খবর
-
ডিম-বেগুন হামলার পরই রক্ষাকবচের আর্জি, হাই কোর্টে মহুয়া
-
প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমার নিয়ম বদল, এবার ‘ঐচ্ছিক জমা’র বিকল্প আনল ইপিএফ
-
বিধায়কদের প্রশিক্ষণ শিবিরে বাম-তৃণমূলকে নিশানা, ‘রাজ্যকে দাঁড় করাতেই হবে’, সংকল্প মুখ্যমন্ত্রীর
-
‘এতে হইচই করার কিছু নেই’, রাম মন্দিরে চুরিকে গুরুত্বই দিচ্ছেন না উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী
-
রাস্তা আটকে ২১ জুলাই, আদালত অবমাননায় মমতা-অভিষেকের হলফনামা তলব হাই কোর্টের