সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের গরু পাচারকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল উত্তরপ্রদেশে। রবিবার গভীর রাতে গরু পাচারের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে সুভাষনগর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে মুঘলসরাই থেকে দু’টি গরু চুরির চুরির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগে দুষ্কৃতীদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উন্মত্ত জনতার বিরুদ্ধে।
[মধ্যরাতে বেঙ্গালুরুর রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত ৫]
সংবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে, স্থানীয়রাই অভিযুক্তদের ধরে ফেলে। ধৃতরা একটি গরু ও একটি বাছুরকে চুরি করে পালানোর ফন্দি এঁটেছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। গোয়ালের মালিকের চিৎকার শুনে দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। এসপি এস কে সিংয়ের বক্তব্য, ‘দুষ্কৃতীদের ধরতে সাহায্য করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাই। এক্ষেত্রে চুরির মামলা রুজু হয়েছে। আমরা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।’ গণধোলাই প্রসঙ্গে পুলিশ জানিয়েছে, কে বা কারা আইন নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
[শীতের পৌষ মাস, ১০.৫ ডিগ্রিতে কলকাতায় আরও এক শীতলতম দিন]
এই প্রথম নয় অবশ্য, যোগী আদিত্যনাথ মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর থেকেই গোটা রাজ্যজুড়েই গরু চুরি বা পাচারের একের পর এক অভিযোগ ও স্থানীয়দের রোষ আছড়ে পড়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। রাজ্যে বেআইনি গরু পাচার রুখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু অভিযোগ উঠছে, বৈধ গরু বিক্রেতাদেরও নিত্যদিন আদিত্যনাথের অনুগামীদের হাতে হেনস্তার মুখে পড়তে হচ্ছে। কর্ণাটকেও একই পরিস্থিতি। ফলে গোয়ার মতো রাজ্যে গোমাংসের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গরু সরবরাহকারীদের হেনস্তা করছে কিছু উটকো লোক। এমনই অভিযোগ অল গোয়া কুরেশি মিট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মান্না ব্যাপারির।
[‘তৃণমূলের সঙ্গেই আছি’, বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন না জানিয়ে দিলেন মঞ্জু]
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের