Uttar Pradesh

‘ক্ষমা কোরো বাবা’, সরকারি চাকরি না পেয়ে কানপুরে ‘আত্মঘাতী’ স্বর্ণপদক পাওয়া ইঞ্জিনিয়ার

২০২৪ সালে কানপুরের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে স্নাতক হন। গোটা উত্তরপ্রদেশ একই পরীক্ষায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ২১:১০

options
link
‘ক্ষমা কোরো বাবা’, সরকারি চাকরি না পেয়ে কানপুরে ‘আত্মঘাতী’ স্বর্ণপদক পাওয়া ইঞ্জিনিয়ার
৫০ বার সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ব্যর্থ হন যুবক।

‘ক্ষমা কোরো বাবা’, সুইসাইড নোটে লিখে আত্মঘাতী হলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদক পাওয়া ২৩ বছরের যুবক। উত্তরপ্রদেশের কানপুরে নিজের বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেধাবী ছাত্র সুইসাইড নোটে জানিয়েছেন, সরকারি চাকরির জন্য বার বার পরীক্ষা দিয়েও সফল হতে পারেননি। এই ব্যর্থতার কারণেই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

Advertisement

মৃত যুবকের নাম আনন্দ কুমার। ২০২৪ সালে কানপুরের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে (ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) স্নাতক হন। গোটা উত্তরপ্রদেশ একই পরীক্ষায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। খুব ভালো ফল করায় স্বর্ণপদক পান। পুলিশ জানিয়েছে, আনন্দের দাদার বিয়ে ঠিক করতে গোটা পরিবার গিয়েছিল বিহারে পাত্রীর বাড়ি। ঘটনার দিন গোবিন্দ নগরের তিনতলা বাড়িতে একা ছিলেন যুবক।

Advertisement

পরদিন সকালে বাড়ির পরিচারিকা এসে দেখেন ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। ডাকাডাকি করেও সাড়া পাননি তিনি। প্রতিবেশীদের খবর দেন পরিচারিকা। তাঁরা এসেও বারকয়েক ডাকাডাকি করেন। সাড়া না-পেয়ে শেষপর্যন্ত পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে আনন্দকে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। বিছানা থেকে উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোট। সেখানে লেখা, ‘‘বাবা আমি দুঃখিত। প্রায় ৫০ বার সরকারি চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সফল হতে পারিনি। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিও।’’

Advertisement

বাবা রাজকুমার জানান, রেলওয়ে, এসএসসি, ব্যাঙ্ক ও শিক্ষাকতার পরীক্ষা দিয়েছিল আনন্দ, কিন্তু সফল হতে পারেনি। গত কয়েক মাস ধরেই তীব্র মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.