Uttar Pradesh

রবিনসন স্ট্রিটের ছায়া! উত্তরপ্রদেশে মেয়ের মৃত্যুর পর ৪ মাস দেহ আগলে বৃদ্ধ, নেপথ্যে কোন রহস্য?

প্রতিবেশীরা যাতে দুর্গন্ধ না পান তার জন্য নিয়মিত ঘরের ভিতরে পারফিউম ছড়াতেন বৃদ্ধ। যদিও শেষ পর্যন্ত বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ২১:০৬

options
link
রবিনসন স্ট্রিটের ছায়া! উত্তরপ্রদেশে মেয়ের মৃত্যুর পর ৪ মাস দেহ আগলে বৃদ্ধ, নেপথ্যে কোন রহস্য?
প্রতীকী ছবি।

মেয়ের মৃত্যুর পর চার মাস দেহ ঘরে লুকিয়ে রাখেন বৃদ্ধ। প্রতিবেশীরা যাতে দুর্গন্ধ না পান তার জন্য নিয়মিত ঘরের ভিতরে পারফিউম ছড়াতেন। যদিও শেষ পর্যন্ত বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এল। বন্ধ ঘর থেকে তরুণীর কঙ্কাল উদ্ধার করল পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বৃদ্ধকে। উত্তরপ্রদেশের মেরাটের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কেন মেয়ের মৃত্যু লোকানোর চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তি?

Advertisement

অভিযুক্ত ব্যক্তি ৭২ বছরের উদয়ভানু বিশ্বাস। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তাঁর মেয়ে ৩৫ বছরের প্রিয়াঙ্কা। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে তরুণীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ, প্রিয়ঙ্কার মৃত্যুর পর উদয় তাঁর শেষকৃত্য করেননি। বদলে বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে দেহ লুকিয়ে রাখেন। গত ১০ এপ্রিল বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই দিন একটি চায়ের দোকানে উদয়কে দেখতে পেয়ে আত্মীয়রা প্রিয়াঙ্কার খোঁজ নেন। শুরুতে উদয় দাবি করেন, চিকিৎসার জন্য প্রিয়ঙ্কাকে দেরাদুনের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও আত্মীয়রা উদয়ের কথায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন। তাঁকে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করতেই মেয়ের মৃত্যু এবং দেহ বাড়িতে লুকিয়ে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেন উদয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এর পরেই খবর যায় পুলিশের কাছে। শেষ পর্যন্ত ঘরের তালা ভেঙে প্রিয়াঙ্কার কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা গিয়েছে দেহাবশেষ প্রিয়াঙ্কারই। মৃতদেহ আটকে রাখা, শেষকৃত্য না করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উদয়কে। তাছাড়া পচন ধরা দেহের কারণে স্থানীয়রা অসুস্থ হতে পারতেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন উদয়ভানু বিশ্বাস। একধিকবার চিকিৎসাও করান তিনি। যদিও কখনই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেননি। কেবল মানসিক অসুস্থতার কারণে মেয়ের মৃত্যু মানতে না পেরেই কি মৃতদেহর সঙ্গে চার মাস কাটান তিনি, নাকি অন্য কোনও কারণ আছে, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, মেরাটের এই ঘটনায় মনে পড়ছে ২০১৫ সালে কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। দিদি দেবযানীর মৃতদেহ আগলে ছিলেন পার্থ দে। দু’টি কুকুরের কঙ্কালও উদ্ধার হয়েছিল।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন