Ram Mandir theft

‘মনে ভক্তি নেই, তাই বলছেন চুরি হয়েছে’, রামমন্দিরে দান লোপাটে বিস্ফোরক উত্তরপ্রদেশের স্পিকার

রামমন্দিরের অনুদান চুরি নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। কার মদতে চুরি, কী কী জিনিস চুরি হয়েছে, চুরির টাকা কোথায় ছড়িয়েছে- একাধিক ইস্যু নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৭:২৬

options
link
‘মনে ভক্তি নেই, তাই বলছেন চুরি হয়েছে’, রামমন্দিরে দান লোপাটে বিস্ফোরক উত্তরপ্রদেশের স্পিকার
রামমন্দিরের অনুদান চুরি নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ।

রামমন্দিরের অনুদান চুরি নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। কার মদতে চুরি, কী কী জিনিস চুরি হয়েছে, চুরির টাকা কোথায় ছড়িয়েছে- একাধিক ইস্যু নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা। তার মধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার স্পিকার সতীশ মহানা। চোরদের হয়ে কার্যত ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, যাঁরা উদার মনে দান করেননি তাঁদেরই মনে হচ্ছে অনুদান চুরি হয়েছে!

Advertisement

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সতীশ সাফ বলেন, “যাঁরা মনে করছেন রামমন্দিরের অনুদান চুরি হয়েছে, আসলে সেটা তাঁদের ভক্তির অভাব। ভক্তিভরে দান দেননি বলেই হয়তো তাঁদের মনে হচ্ছে যে দান চুরি হয়েছে। দানের অর্থ মন্দিরের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এখন আপনারা যে মন্দির দেখতে পাচ্ছেন সেটা ওই দানের অর্থেই তৈরি।” এই মন্তব্যকে আরও সমর্থন করতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের স্পিকার বলেন, “অনুদান দিয়ে দেওয়ার পর কি সেটা কেউ ফেরত চায়? ভগবানের চরণে সামান্য কিছু অর্পণ করেছি, সেটাই মন্দিরের জন্য় আমার একটা ক্ষুদ্র অবদান।”

Advertisement

ভক্তদের দান দেওয়াকে অসম্মান করছেন উত্তরপ্রদেশের স্পিকার, এমনটাই মনে করছেন অনেকে। সতীশ বলেন, “রামমন্দিরে দেওয়া দান যদি কেউ ফেরত চান, কেউ যদি মনে করেন তাঁদের দেওয়া অনুদান চুরি হয়েছে তাহলে বলব এই নিয়ে সরকার এবং ট্রাস্ট পদক্ষেপ করবে। কিন্তু রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা একটা সংগঠনে চোর রয়েছে, এই ধারণা মোটেই বরদাস্ত করা হবে না।”

Advertisement

উল্লেখ্য, রামমন্দিরের চুরির ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৩ অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তাঁদের জেরা করেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশি জেরায় তিন অভিযুক্ত করুণেশ পান্ডে, লবকুশ তিওয়ারি ও অনুকল্প মিশ্রের দাবি, মন্দিরে দানের টাকা প্রথম চুরি করতে শুরু করেন অবিনাশ শুক্লা। শুরুতে সেই টাকার অঙ্ক ছিল দিনে ২০০০। পরে চুরি চালাতে রীতিমতো দল গঠন করে তাঁরা। চুরির পরিমাণ একলাফে বেড়ে হয় দিনে ৩ লক্ষ টাকা। শুরুতে এই চুরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মাত্র ২ জন। পরে ধীরে ধীরে বাকিদের মধ্যেও চুরির কথা ছড়িয়ে পড়ে। তখন তাঁদেরও দলে টেনে নেওয়া হয়। যেহেতু মন্দিরের টাকা গোনার পর কাউকে তল্লাশি করা হত না, তাই অবলীলায় চুরি করত অভিযুক্তরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.