Uttarakhand BJP

১০ বছরের জেল, ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ! ধর্মান্তকরণ রুখতে কড়া আইন উত্তরাখণ্ডে

জোর করে ধর্মান্তকরণ করালে রক্ষা নেই, সাফ বলছে বিজেপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২২, ১৭:২৪

options
link
১০ বছরের জেল, ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ! ধর্মান্তকরণ রুখতে কড়া আইন উত্তরাখণ্ডে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেআইনি ধর্মান্তকরণ রুখতে এবার আরও কড়া উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার। আগের আইনে সংশোধন করে এই ধরনের ‘অপরাধ’ ধরা পড়লে আরও কঠোর শাস্তির নিদান দিল পুস্কর সিং ধামি (Puskar Singh Dhami) সরকার। নতুন আইন অনুযায়ী, কোনওরকম প্রতারণা করে, প্রলোভন দেখিয়ে অথবা জোর করে ধর্মান্তকরণ করালে অভিযুক্তের সর্বাধিক ১০ বছরের জেল হতে পারে।

Advertisement

উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand) সরকার শুক্রবার বিধানসভায় ধর্মীয় স্বাধীনতা সংশোধনী আইন পাশ করিয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, জোর করে ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেলের পাশাপাশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা যাবে। সেই সঙ্গে তাকে জরিমানা করা হবে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। শুধু তাই নয়, দোষ প্রমাণিত হলে যাদের ধর্ম বদলের চেষ্টা করা হচ্ছিল, তাদের ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণও দিতে হবে। আগের আইন অনুযায়ী, এই ধরনের ধর্মান্তকরণের শাস্তি ছিল সর্বোচ্চ ৭ বছরের জেল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘হিন্দুরা দাঙ্গা করে না’, শাহর ‘উচিত শিক্ষা’ মন্তব্যে সমর্থন হিমন্তর]

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্য জোর করে ধর্মান্তকরণ রুখতে আইন পাশ করিয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন পাশ করা হয় উত্তরপ্রদেশে। মূলত লাভ জিহাদ রুখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল। এই আইনে দোষীদের জন্য সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে আইনে। উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, অসমের মতো রাজ্যেও এই আইন আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: একদিনেই ১ কোটির চাকরির অফার ২৫ পড়ুয়াকে, নয়া রেকর্ড মাদ্রাজ আইআইটির]

বিরোধীদের বক্তব্য, এই ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন পাশ করানোটা পুরোপুরি বিজেপির (BJP) রাজনৈতিক এজেন্ডা। তাঁদের অভিযোগ, উত্তরাখণ্ডে পাশ হওয়া এই আইন সমাজ ও সংবিধানের চরিত্র বদলে দিতে পারে। এমনকী, সমাজের এক শ্রেণির মানুষ এই আইনকে হাতিয়ার করে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিতে পারে প্রতিপক্ষকে। যদিও তাঁদের কথায় কান দিতে নারাজ ধামি সরকার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন