সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামিকাল থেকে শুরু নির্বাচন। শেষ ১৯ মে। তাই নিজের নিজের কেন্দ্রে প্রচারে ব্যস্ত সব দলের প্রার্থীরাই।প্রচারের মাঝেই দেশবাসীকে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা। ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষের সবরকম উন্নয়নের আশা দিচ্ছেন তাঁরা। তবে আদৌ কি ফলপ্রসূ হবে এই আশ্বাস? দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের অভিযোগ, প্রতি নির্বাচনের আগেই এমন আস্থা দিয়ে থাকেন রাজনৈতিক দলগুলি। তবে তা পূরণ হয় না। সেই অভিযোগেরই প্রমান মিলল গুজরাটের সোনগাধ গ্রামে। কারণ, আজও পানীয় জলের জন্য তাদের ৪ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। নেই রাস্তাও।
[আরও পড়ুন: কাশ্মীরের রাজপথে সেনা কনভয় আটকে প্রতিবাদ ওমর আবদুল্লার]
রাস্তা ও প্রবল জল সংকটই নিত্যসঙ্গী গুজরাটের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দাদের। কারণ, পানীয় জলের জন্য প্রতিদিন ৪ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। ভোট এসেছে, ভোট গিয়েছে তবে ছবিটা পালটায়নি। জানা গিয়েছে, প্রতিদিন ভোররাতে উঠে জল আনতে যেতে হয় বাসিন্দাদের, যাতে সকালের খাবার তৈরি করা যায়। ওই এলাকার পাশে একটি ড্যাম রয়েছে তবে কিছু সমস্যার কারণে সেটিও ব্যবহার করতে পারেন না স্থানীয়রা।
[আরও পড়ুন:৬৬০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের ছেলে]
স্থানীয় সূত্রে খবর, শেষ নির্বাচনের আগে পাকা রাস্তা ও পানীয় জলের জন্য কলের দাবিতে বিক্ষোভ ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। তারপর দীর্ঘদিন পেরিয়েছে। সামনে লোকসভা নির্বাচন। এখনও এলাকায় গেলে নজরে পড়বে নির্মীয়মাণ একটি রাস্তা। অবিলম্বে রাস্তার কাজ শেষ না হলে এবারও ভোট বয়কট করা হবে বলে জানান স্থানীয়রা। তাঁরা জানিয়েছেন, রাস্তাটিই তাঁদের জল সমস্যার সমাধান করতে পারে। কারণ, রাস্তা সুগম হলে জলের ট্যাঙ্ক আসার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা থাকবে না। সব মিলিয়ে এবারও ভোটের মুখে নিজেদের দাবিতে সরকারের বিরোধিতায় গুজরাটের প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দারা।
সর্বশেষ খবর
-
‘কেন এই খেলায়…’, ‘লকআপ সিজন ২’-এ পুরুষ সঙ্গীকে ‘হেনস্তা’য় রামকে কড়া ‘সবক’ কঙ্গনার
-
৩-৬ জুলাই বন্ধ নয় চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার, স্বাভাবিক থাকবে যান চলাচল? কী জানাল কলকাতা পুলিশ
-
চালু হবে বন্ধ ট্রমা কেয়ার, প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজ আসানসোলেই? কী জানালেন অগ্নিমিত্রা
-
‘নটোরিয়াস ক্রিমিনাল’ শওকতকে রাস্তায় ঘোরাল পুলিশ, বেজে উঠল ‘শওকত তো মাছ চোর’ গান
-
ভারতে বেড়াতে এসে পরজীবীর কবলে! ব্রিটিশ মহিলার মগজে কিলবিল করছে ফিতাকৃমি