এমকে স্ট্যালিন

‘পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় ব্যবহার করুন CRPF জওয়ানদের’, কেন্দ্রকে কটাক্ষ স্ট্যালিনের

JNU'র ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি এই টুইট করেছেন, দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২০, ১৬:৫৫

options
link
‘পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় ব্যবহার করুন CRPF জওয়ানদের’, কেন্দ্রকে কটাক্ষ স্ট্যালিনের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ডিএমকে সুপ্রিমো এমকে স্ট্যালিনের জেডপ্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা সরিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আর শুক্রবারই এই বিষয়ে টুইট করে কেন্দ্রকে বিঁধলেন করুণানিধিপুত্র। দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বদলে CRPF জওয়ানদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করতে পরামর্শ দিলেন। সম্প্রতি দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া তাণ্ডবের পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন ব্যক্তির নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে কার কতটা নিরাপত্তা লাগবে সেই বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হয়। আর তারপরই ডিএমকে সুপ্রিমোর নিরাপত্তা জেডপ্লাসের পরিবর্তে জেড ক্যাটাগরিতে নামিয়ে আনা হয়। এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আসার পরেই কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় সরব হয়ে ওঠে ডিএমকে। টুইট করে তাঁর দাদার নিরাপত্তা কমানোর বিষয়টির কড়া নিন্দা করেন ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি। পাশাপাশি একথাও উল্লেখ করেন যে কোটি কোটি অনুগামীর ভালবাসা ও শ্রদ্ধা দিয়ে তৈরি দুর্গে বাস করেন স্ট্যালিন। কারণ তাঁরা জানেন তামিলদের অধিকারের জন্য একমাত্র স্ট্যালিনই আওয়াজ তোলেন।

[আরও পড়ুন: দেশে বেকারত্বের হতাশায় বাড়ছে আত্মহত্যা, ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর রিপোর্টে উদ্বেগ ]

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

প্রথমে এই বিষয়ে কিছু না বললেও শুক্রবার টুইট করে এই সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করেন স্ট্যালিন। টুইট করেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে যে CRPF জওয়ানরা আমাকে নিরাপত্তা দিয়েছেন তাঁদের প্রত্যেককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি চাই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত হওয়া ওই জওয়ানদের এখনও থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নিযুক্ত করা হোক। তাহলে সেখানে যে ধর্মের নামে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে তা বন্ধ হবে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন