Rahul Gandhi

হেমন্ত সরকারের থেকে সমর্থন তুলুন, রাহুলকে চ্যালেঞ্জ রাঁচির পড়ুয়াদের, পোড়ানো হবে কুশপুতুলও

হেমন্তের পদত্যাগের দাবিতে এবার মুখ্যমন্ত্রী আবাস ঘেরাওয়ের পথে পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের দাবি, স্রেফ মৌখিক সমর্থনের বার্তা দেওয়া ছাড়া কার্যক্ষেত্রে কিছুই করেনি কংগ্রেস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ০৯:০৬

options
link
হেমন্ত সরকারের থেকে সমর্থন তুলুন, রাহুলকে চ্যালেঞ্জ রাঁচির পড়ুয়াদের, পোড়ানো হবে কুশপুতুলও
ফাইল ছবি।

জেন জি আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে চাপে রাখতে তিনি মরিয়া। বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে ‘ছাত্রো কি গুঞ্জ’ অনুষ্ঠান করে ছাত্রদের মন জেতার মরিয়া চেষ্টা করেছেন। কিন্তু যে ছাত্র-যুবদের হাতিয়ার করে রাহুল গান্ধী ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, সেই ছাত্র যুবরাই তাঁকে বিড়ম্বনায় ফেলে দিল। ঝাড়খণ্ডে হেমন্ত সোরনের সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত পড়ুয়ারা রাহুলকে চ্যালেঞ্জ করলেন, হয় জোটসঙ্গীকে পড়ুয়াদের দাবি মানতে বাধ্য করুন, নাহয় সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করুন।

Advertisement

শনিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাঁচিতে ‘তেরঙ্গা যাত্রা’র আয়োজন করে পড়ুয়ারা। ওই তেরঙ্গা যাত্রা থেকেই পড়ুয়াদের নেতা রবীন্দ্র পাসওয়ান ঘোষণা করছেন, আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে দাবি না মানা হলে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাও করবেন। দেবেন্দ্রর সাফ কথা, “কংগ্রেস এবং জেএমএম দুই দলই পড়ুয়াদের সঙ্গে রাজনীতির খেলা খেলছে। আমরা হেমন্ত সোরেনের ইস্তফা চাই। আমরা একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কাছে দাবি জানাচ্ছি, হেমন্ত যদি আপনার কথা না শোনেন তাহলে সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করুন।”

Advertisement

রাহুল গান্ধী প্রকাশ্যে ঝাড়খণ্ডের বিক্ষোভকারীদের সমর্থন করার বার্তা দিয়েছেন। এমনকী পড়ুয়াদের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছেন। কিন্তু পড়ুয়াদের দাবি, স্রেফ মৌখিক সমর্থনের বার্তা দেওয়া ছাড়া কার্যক্ষেত্রে কিছুই করেনি কংগ্রেস। রাহুলের এই ‘দ্বিমুখী রাজনীতি’র প্রতিবাদে রবিবার রাজ্যজুড়ে বিরোধী দলনেতার কুশপুতুল পোড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা। ফলে যা পরিস্থিতি ঝাড়খণ্ড নিয়ে রাহুল রীতিমতো বিড়ম্বনায়।

Advertisement

আসলে ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষায় ভূরি ভূরি অনিয়মের অভিযোগে উঠেছে। এই ঘটনায় ফুঁসে উঠেছেন হাজার হাজার পরীক্ষার্থী। সরকারের কাছে মূলত ৩টি দাবি জানানো হয়। যেগুলি হল, ১. সিবিআই, ইডিকে দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত। ২. নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা না আসা পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল রাখতে হবে। ৩. পুরো ব্যবস্থার খোলনলচে বদলে যোগ্য প্রার্থীদের বিচার দিতে হবে। কিন্তু এই ৩ দাবির কোনওটিই পুরোপুরি মানতে নারাজ হেমন্ত সোরেনের সরকার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.