IPL 14 KKR

ম্যাক্সওয়েল-এবির তাণ্ডবে ম্লান রাসেল, আরসিবির কাছে হার নাইটদের

জয়ের হ্যাটট্রিক বিরাটদের, সংকটে কেকেআর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২১, ১৯:১৯

options
link
ম্যাক্সওয়েল-এবির তাণ্ডবে ম্লান রাসেল, আরসিবির কাছে হার নাইটদের

আরসিবি: ২০৪-৪ (ম্যাক্সওয়েল ৭৮, এবি ৭৬)
কেকেআর: ১৬৬-৮ (রাসেল ৩১, মর্গ্যান ২৯)
কেকেআর ৩৮ রানে পরাজিত।

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জঘন্য ডেথ বোলিং, ব্যাটিং বিভাগে বড় পার্টনারশিপের অভাব, এবং ভুলে ভরা ক্যাপ্টেন্সি। সম্মিলিত ব্যর্থতার জেরে আইপিএল (IPL-14) মরশুমের তৃতীয় ম্যাচেও হারতে হল কেকেআরকে। অব্যাহত থাকল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের স্বপ্নের দৌড়। চেন্নাইয়ে নাইটদের ৩৮ রানে হারিয়ে দিল কোহলি (Virat Kohli) ব্রিগেড। জয়ের ফলে চলতি মরশুমে জয়ের হ্যাটট্রিক করল আরসিবি (RCB)। অন্যদিকে কেকেআর ৩ ম্যাচে জিতল মাত্র ১টি। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইয়ন মর্গ্যানের (Eion Morgan) কাছে এর আগে ৭ বার টস হেরেছিলেন বিরাট। কিন্তু রবিবাসরীয় গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে টসে বিরাট বাজিমাত করেন। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি আরসিবির। দ্বিতীয় ওভারেই বরুণ চক্রবর্তী তুলে নেন অধিনায়ক কোহলি এবং রজত পাতিদারকে। কিন্তু তারপরই ইনিংসের হাল ধরেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (Glen Maxwell) এবং এবি ডি’ভিলিয়র্স। কোনও এক অজ্ঞাত কারণে প্রথম ওভারে দুই উইকেট নেওয়া বরুণ চক্রবর্তীকে দ্বিতীয় ওভার দেননি অধিনায়ক মর্গ্যান। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। যাই হোক, দ্বিতীয় উইকেটের পতনের পর শুরু হয়ে ম্যাক্সওয়েল-ডি’ভিলিয়র্স শো। ম্যাক্সি করেন ৪৯ বলে ৭৮ রান। আর এবি মাত্র ৩৪ বলে ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ দিকে চার বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন জেমিসন। আরসিবি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে করে ২০৪ রান।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ম্যাজিক্যাল মেসির জোড়া গোলে ইতিহাস, বিলবাওকে হারিয়ে কোপা দেল রে চ্যাম্পিয়ন বার্সা]

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি কেকেআর (KKR)। পাওয়ারপ্লে শেষে নাইটদের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৫৭ রান। কিন্তু তারপরই খেই হারায় নাইটদের ইনিংস। এদিন ফের ব্যর্থ হন দীনেশ কার্তিক। মাত্র ২ রানে আউট হন তিনি। ভাল শুরু করেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি নীতীশ রানা (১৮), গিল(২১), ত্রিপাঠী (২৪), মর্গ্যান (২৯)। একটা সময় যখন মনে হচ্ছিল কেকেআরের হাতে থেকে ম্যাচ অনেকটা বেরিয়ে গিয়েছে। তখনই কার্যত একার হাতে লড়াই শুরু করেন মাসল রাসেল। ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত কেকেআরের ইনিংস শেষ হয় ৮ উইকেটে ১৬৬ রানে। ৩৮ রানে হারতে হয়েছে নাইটদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন