RCB

অবিশ্বাস্য ম্যাচের সাক্ষী দুবাই, রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের সুপার ওভারে রোহিতদের হারাল আরসিবি

একটা সময় মনে হল ম্যাচ হচ্ছে শারজার মাঠে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০, ০০:১০

options
link
অবিশ্বাস্য ম্যাচের সাক্ষী দুবাই, রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের সুপার ওভারে রোহিতদের হারাল আরসিবি

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর: ২০১/৩ (দেবদত্ত- ৫৪, ফিঞ্চ-৫২, এবি-৫৫*)
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ২০১/৫ (কিষান-৯৯, পোলার্ড-৬০*)
সুপার ওভারে জয়ী আরসিবি

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শারজা নয় দুবাই। বিশেষজ্ঞদের মতে যে পিচে ১৭০/১৮০ রান মানে ম্যাচ জেতার মতো স্কোর। অথচ সেই মাঠেই কিনা বিপক্ষকে ২০১ রানের সামনে দাঁড় করিয়েও স্বস্তিতে থাকতে পারল না বিরাট কোহলি অ্যান্ড। সৌজন্যে দু’জনের অতিমানবীয় ইনিংস। একজন দেশের তরুণ তুর্কি ঈশান কিষান আর অন্যজন টি-টোয়েন্টিতে পিএইচডি করা কায়রন পোলার্ড। রবিবার রাজস্থান বনাম পাঞ্জাবের অভাবনীয় ম্যাচের পর সোমবার ফের আইপিএলের লেভেল সেট করে দিল আরসিবি বনাম মুম্বই যুদ্ধ। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে যেখানে শেষ হাসি হাসলেন বিরাট কোহলি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: চলতি আইপিএলে ধোনির মন্থর শুরু নিয়ে মুখ খুললেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়]

এদিন ম্যাচটা শুধুই রোহিত বনাম কোহলির অধিনায়ত্বের ছিল না। বরং আরও বেশি করে ছিল, এবি বনাম বোল্টের। কায়রন পোলার্ড বনাম নবদীপ সাইনির। তবে তারকা সমাবেশে খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই ঢুকে পড়ে লাইমলাইট কেড়ে নিয়েছিলেন কিষান। নিজের ব্যাট দিয়ে নতুন করে টি-টোয়েন্টির সংজ্ঞা রচনা করলেন তিনি। তবে একইসঙ্গে রয়ে গেল একটি রান না করতে পারার চাপা যন্ত্রণা। ৫৮ বলে ৯৯ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস উপহার দিয়ে মাঠ ছাড়লেন। মুম্বই ইনিংসের শেষ বলে চার হাঁকিয়ে তাঁর অসমাপ্ত থাকা কাজটাই যেন করলেন পোলার্ড। ২৪ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থেকে ম্যাচ নিয়ে গেলেন সুপার ওভারে। যেখানে রোহিত নিজে না নেমে পাঠালেন হার্দিককে। সঙ্গী পোলার্ড। পোলার্ড আউট হওয়ার পর শেষ বলে আসেন তিনি। আরসিবির সামনে তখন জয়ের জন্য লক্ষ্য ৮ রান। বাউন্ডারি দিয়ে যার মধুরেন সমাপয়েত করলেন কোহলি।

Advertisement

বিরাট আর রোহিত দু’জনই অবশ্য এদিন ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। নিজের তৃতীয় ম্যাচেও রানে ফেরা হল না ক্যাপ্টেন কোহলির। ১১ বলে ৩ রান করেই ফিরলেন প্যাভিলিয়নে। তবে দুবাইয়ে ম্যাজিক দেখালেন এবি। তার আগে অবশ্য দলকে অনেকটাই স্বস্তিজনক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিলেন দলের তরুণ তুর্কি দেবদত্ত পাড়িক্কল। বিরাট ব্যর্থ হলেও দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি করেন অ্যারন ফিঞ্চ। তবে মুম্বইয়ের যে দুই অভিজ্ঞ বোলারের দিকে নজর ছিল, সেই বুমরাহ ও প্যাটিনসন নিজেদের ৪ ওভারে রান দিলেন ৪২ ও ৫১।

[আরও পড়ুন: এই সব ব্যাপারে ভীষণ ভয় পান আন্দ্রে রাসেল!‌ গোপন কথা ফাঁস করলেন নাইট নেতা কার্তিক]

দুবাইয়ের মাঠেও বিপক্ষকে ২০০ রানের বেশি সামনে দাঁড় করিয়ে যে এমন কষ্ট করে জিততে হবে, তা পোলার্ড আর ইষান কিষানের পার্টনারশিপ না দেখতে বিশ্বাস করা কঠিন। সৌরভ তিওয়ারির পরিবর্তে দলে যোগ দিয়ে কী দুর্দান্ত পারফর্ম করলেন। আফসোস একটাই। অনবদ্য খেলেও দলকে জয় উপহার দিতে পারলেন না তিনি। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.