‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের বিরাট দৌড় স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। ‘আদানি আরোগ্য মন্দিরে’
(Adani Arogya Mandir) বিনামূল্যে ১০০০ শয্যা থাকছে দুস্থদের জন্য। বৃহস্পতিবার নিউটাউনে এই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলার জন্য এটা ঐতিহাসিক দিন। দেশের কোথাও গরিবদের জন্য এমন ব্যবস্থা নেই।” তিনি আরও জানান, বাংলাকে পুর্নগঠনে ইচ্ছুক আদানি গোষ্ঠী। এদিনের অনুষ্ঠান থেকে বাম ও তৃণমূলকে একযোগে বিঁধলেন তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি নিশানা করে বললেন, “উনি শুধু করব করব বলেছেন আর ভাতা দিয়েছেন।”
আরও পড়ুন:
শুভেন্দু বলেন, “৫১ একর জমির উপর এই হাসপাতালে ৫০ শতাংশ বেড (১০০০ বেড) পাবেন গরিবরা। তা একেবারে বিনামূল্যে। একটা একটা বড় বিষয়। এটা গোটা ভারতে কোথাও নেই। এই ধরণের হাই স্ট্যান্টার্ড হাসপাতালে গরিবদের চিকিৎসা কোথাও হয় না। তাই বাংলার জন্য আজ একটা ঐতিহাসিক দিন। এটা একটা মাইলস্টোন। হাসপাতালকে কেন্দ্র করে নিউটাউনে স্বাস্থ্যনগরী তৈরি হবে।”
মাস চারেক আগে নিউটাউনে অত্যাধুনিক মানের হাসপাতাল তৈরির কথা জানিয়েছিলেন তিনি। আজ, বৃহস্পতিবার তার ভুমিপুজোও হয়ে গেল। দ্রুতই শুরু হবে কাজ। এদিন অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, কীভাবে কথা এগিয়েছিল আদানিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই করণ আদানি আমার সঙ্গে দেখা করেন। তিনিই বলেছিলেন মর্ডান হাসপাতাল তৈরি করতে চান নিউটাউনে। আমি সম্মতি দিই। আমি ওদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গৌতম আদানিজির সবুজ সংকেত মিলতেই কয়েক মাসের মধ্যেই ভূমিপুজোও হয়ে গেল।” এরপরই শুভেন্দু বলেন, “৫১ একর জমির উপর এই হাসপাতালে ৫০ শতাংশ বেড (১০০০ বেড) পাবেন গরিবরা। তা একেবারে বিনামূল্যে। একটা একটা বড় বিষয়। এটা গোটা ভারতে কোথাও নেই। এই ধরণের হাই স্ট্যান্টার্ড হাসপাতালে গরিবদের চিকিৎসা কোথাও হয় না। তাই বাংলার জন্য আজ একটা ঐতিহাসিক দিন। এটা একটা মাইলস্টোন। হাসপাতালকে কেন্দ্র করে নিউটাউনে স্বাস্থ্যনগরী তৈরি হবে।”

এদিনের মঞ্চ থেকে আদানিদের বাংলায় আরও বিনিয়োগের জন্য ডাক দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বাংলা অনেক দুর্ভোগ সহ্য করেছে। বাম আমলে ইউনিউনের ঝামেলায় ৫৪টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকার শিল্প নিয়ে আগ্রহীই ছিল না। ওরা শুধু ভাতা দিয়েছে আর রাজনীতি করেছে। তাই আমি আদানিজিকে বলব, আপনিই পারবেন বাংলাকে দাঁড় করাতে। তাই প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন।” উল্লেখ্য, দাদনপাত্র বারে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করবে আদানিরা। বন্দর ও স্বাস্থ্যখাত ছাড়াও বাংলায় আরও বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এদিন গৌতম আদানি জানান, ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলায় লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। বন্দর, পণ্য পরিবহণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বণ্টন, সড়ক, সেতু, সিমেন্ট কারখানা এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার-একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করবে তাঁরা। ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে। বেকারত্ব কমবে।
সর্বশেষ খবর
-
হিরো মচ্ছরকে কুর্নিশ, ‘বাংলা থেকেও তৈরি হবে রাষ্ট্রবাদী পাইলট’, বললেন শুভেন্দু
-
প্রেমিকার সঙ্গে মোমো ডেট! হাতেনাতে ধরতে সটান স্বামীর গাড়ির বনেটে স্ত্রী, তারপর যা হল…
-
ভারতের সঙ্গে ব্রাজিলের নির্বাচন গুলিয়ে ফেললেন ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘ভীমরতি’তে হাসির রোল
-
‘১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসুন’, দল ভাঙার পরও ‘গদ্দার’দের জন্য দরজা খোলা মমতার!
-
টিম ইন্ডিয়ায় ব্রাত্য! এবার অন্য ভারতীয় দলে এন্ট্রি ভুবনেশ্বরের, এই টুর্নামেন্টে দেবেন নেতৃত্ব