গলায় আটকে কয়েন, শহরের চারটি হাসপাতাল ফেরাল শিশুকন্যাকে

শেষপর্যন্ত এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি নেওয়া হয় বছর চারেকের প্রিয়াঙ্কাকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৭, ১৬:১৫

options
link
গলায় আটকে কয়েন, শহরের চারটি হাসপাতাল ফেরাল শিশুকন্যাকে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত মাসের ঘটনা। খেলতে খেলতে চোখে পেরেক ঢুকে গিয়েছিল ক্যানিংয়ের করিম মোল্লার। ক্যানিং থেকে কলকাতা, পাঁচটি হাসপাতাল ফিরিয়ে দিয়েছিল করিমকে। অর্ধেক পেরেক চোখে ঢোকা অবস্থায় করিমকে নিয়ে এনআরএসের গেটের সামনে বসেছিল পরিবারের লোকেরা। ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যজুড়ে। শেষপর্যন্ত এনআরএস হাসপাতালে শিশুটির চোখে অপারেশন হয়।এবার কার্যত একই অভিজ্ঞতা হল পাটুলির প্রিয়াঙ্কা হালদার ও তাঁর পরিবারের। গলায় এক টাকার কয়েন আটকে যাওয়ার পর, প্রায় সাত ঘণ্টা বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরতে হয়েছে একরত্তি মেয়েটাকে। শেষপর্যন্ত ঠাঁই মেলে এসএসকেএম-এ।

Advertisement

[স্কুলে না আসায় বেধড়ক মার ছাত্রকে, রানাঘাটে গ্রেপ্তার প্রধানশিক্ষক]

Advertisement

বুধবার সকালে নিজের বাড়িতেই খেলা করছিল প্রিয়াঙ্কা। খেলতে খেলতে একটি এক টাকার কয়েন গিলে ফেলে সে। প্রথমে বাড়ির কাউকে কিছু জানায়নি প্রিয়াঙ্কা। পরে যন্ত্রণা শুরু হলে মেয়েকে নিয়ে এম আর বাঙুর হাসপাতালে যান প্রিয়াঙ্কার বাবা-মা। সেখানে এক্স-রে করে চিকিৎসকরা দেখেন, প্রিয়াঙ্কার গলায় একটি এক টাকার কয়েন আটকে আছে। কিন্তু হাসপাতালে শয্যা না থাকায় প্রিয়াঙ্কাকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, সেখানে আবার শিশুদের চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় রোগীকে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শেষপর্যন্ত দুপুর তিনটে নাগাদ প্রিয়াঙ্কাকে এসএসকেএম-এ ভরতি করা হয়। প্রিয়াঙ্কার বাবা বাপ্পা হালদার বলেন,‘মেয়েকে নিয়ে বাঘাযতীন হাসপাতাল, এম আর বাঙুর হাসপাতাল, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস সর্বত্র ঘুরেছি। কিন্তু সবাই নানা অজুহাতে ফিরিয়ে দিয়েছে। শেষপর্যন্ত এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা পেল মেয়ে।’ তবে ছোট্ট প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে চিন্তার কিছু নেই বলে জানিয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, ‘গলায় একটি কয়েন আটকে ছিল। তবে সেটা এখন পাকস্থলীতে চলে গিয়েছে। আশা করি, মলের মাধ্যমে কয়েনটিকে বের করে আনা সম্ভব হবে।’

Advertisement

[ছেলেকে খাটের সঙ্গে বেঁধে কুপিয়ে খুন মা-মেয়েকে]

তবে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় একটি ছোট্ট মেয়ে যেভাবে একের পর এক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে তাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা বিশ্বরঞ্জন শতপথি। তিনি বলেন, বাঘাযতীন হাসপাতালে কয়েন বের করার মতো পরিকাঠামো নেই। কিন্তু, বাঙ্গুরে উপযুক্ত পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কেন শিশুটিকে রেফার করা হল?  তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

[একই শরীরে দুই গ্রুপের রক্ত দেখে তাজ্জব চিকিৎসকরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.