সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জনরোষে আর জি করের দোষী সঞ্জয় রায়ের মৃত ভাগ্নির সৎমা ও বাবা। মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরতেই তাঁদের উপর চড়াও হয় প্রতিবেশীরা। বধূর নাক-মুখে ঠাটিয়ে চড় মারে উত্তেজিত জনতা! খবর পেয়ে কোনওক্রমে তাঁদের উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত নাবালিকার বাবার কথায়, “আমার বাচ্চা নেই, আমার আর বেঁচে থাকার কোনও অর্থ নেই।”
ঘটনার সূত্রপাত সোমবার অর্থাৎ কালীপুজোর দিন। ওই দিন আলিপুরের একটি বাড়ির আলমারিতে উদ্ধার হয় পঞ্চম শ্রেণির নাবালিকার দেহ। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে অনুমান করে পুলিশ। এরপরই প্রকাশ্যে আসে বিস্ফোরক তথ্য। জানা যায়, বাবা ও সৎমা (মাসি)-এর সঙ্গে থাকত নাবালিকা। সৎমা নাকি রীতিমতো নির্যাতন করত নাবালিকার উপর। রাত দু’টোয় বের করে দেওয়া হত বাড়ি থেকে। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ১১ বছরের ওই ছাত্রী। অনুমান, সেই কারণেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত। তবে খুনের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না কেউ।
এসবের মাঝেই মঙ্গলবার সকালে জনতার রোষে সঞ্জয় রায়ের দিদি ও জামাইবাবু অর্থাৎ মৃতার সৎমা ও বাবা। বাড়ি থেকে বেরতেই সৎমাকে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধর করে উত্তেজিত জনতা। নাকে-মুখে ঠাটিয়ে চড় মারে তারা। জুতো পেটা করা হয় মৃতার বাবাকে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রসঙ্গত, সঞ্জয় রায়ের এক দিদির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল নাবালিকার বাবার। কয়েকবছর আগে মৃত্যু হয় বধূর। এরপর শ্যালিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে নাবালিকার বাবার। শ্যালিকাকে বিয়েও করেন তিনি। এরপর মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন।
সর্বশেষ খবর
-
সন্তানের কান্নায় অতিষ্ঠ, ধারালো অস্ত্রের কোপে ৬ মাসের শিশুকন্যাকে গলা কেটে খুন মা’র!
-
মেট্রোপলিটান এলাকার বেআইনি নির্মাণে নজর, উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের তলব হাই কোর্টের
-
নিজেই নিজেকে গুনবেন! রাজ্যে স্ব-গণনায় বিশেষ পোর্টাল খুলে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের
-
বাম আমলে ‘খুন’, প্রতিজ্ঞা পূরণ করে ৩৪ বছর পর বিজেপিকর্মী বাবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করলেন ছেলেরা
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার হারে অভিযান শুরু অধিনায়ক শ্রেয়সের, বৈভবকে না খেলিয়েই ভুগল ভারত!