আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে গুদাম মালিক গঙ্গাধর দাসকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। অগ্নিকাণ্ডের ৪৮ ঘণ্টা পর গঙ্গাধরকে আটক করেছিল পুলিশ। পরে বারুইপুর জেলা পুলিশের তরফে তাঁকে গ্রেপ্তারির কথা জানানো হয়। বুধবার আদালতে তোলা হয়েছিল ধৃতকে। এদিকে এখনও বেপাত্তা বহু। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
রবিবার ভোর প্রায় ৩টে নাগাদ মোমো কারখানা ও সংলগ্ন গুদামে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান আনন্দপুর এলাকার মানুষ। তাঁরাই দমকল ও পুলিশে খবর দেন। দমকলের ১২ ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু হয়। পরে আরও ৪টি ইঞ্জিন যায়। অবশেষে দেড় দিন পর দমকলের ১৬টি ইঞ্জিনের তৎপরতায়, মঙ্গলবার আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস। তার হদিশ পেতে পূর্ব মেদিনীপুরে হানা দেয় পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধেয় গুদাম মালিককে আটক করে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গিয়েছে, কার্যত উল্কাগতিতে উত্থান হয়েছিল গঙ্গাধরের। প্রথমে ছোট্ট পরিসরে ডেকরেটর্সের ব্যবসা শুরু করেছিলেন তিনি। প্রথমে জেলার মধ্যেই ব্যবসা করতেন। প্লাস্টিক ফুল দিয়ে সাজাতেন অনুষ্ঠানস্থল। পরে বিদেশ থেকে সামগ্রী আমদানি শুরু করেন। বছর ১৫ আগে খেয়াদহে প্রথম কারখানা ও গুদাম খোলেন। সেটিও পুড়েছিল আগুনে। তারপরও দ্রুতগতিতে এগিয়েছেন গঙ্গাধর। অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সম্পত্তির মালিক হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেপ্তারির পর গুদাম মালিক এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার দায় চাপিয়েছেন মোমো সংস্থার ঘাড়ে। জানা গিয়েছে, যে গুদামে আগুন লেগেছে সেখানকার পুরো জমিটারই মালিক ছিলেন গঙ্গাধর। মোমো কোম্পানি ডেকরেটার্সের গোডাউন লিজে নিয়েছিল। প্রসঙ্গত, আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৬। ১৫ জন নিখোঁজ বলেই খবর। পরবর্তীতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
ভূমিকম্প নাকি ভয়ংকর তুষারধস! কেন প্রলয়ঙ্করী বিপর্যয় নেপালে? কী বলছেন ভূবিজ্ঞানীরা
-
গর্ভে ৩ সন্তান! শান্তিপুর হাসপাতালে একই দিনে ২ প্রসূতির জটিল অস্ত্রোপচারে মিলল সাফল্য
-
দুর্ঘটনার কবলে পড়েও মেলেনি ক্ষতিপূরণ, টিকিট নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই রেলকে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের
-
‘তোমার কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ শুভ…’, শুভশ্রীকে মন কেমনের চিঠি ‘ডিরেক্টর’ দেবের
-
রান্নাঘর ভর্তি আরশোলা, ক্রিকেটারদের আমিষ চা! মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার রেস্তরাঁ দেখে অগ্নিশর্মা তুকারাম