Bengal BJP fears set back in civic polls due to infighting

WB Civic Polls 2022: বিদ্রোহে লাগাম টানতে না পারলে পুরভোটে হতে পারে খারাপ ফল, আশঙ্কা বঙ্গ বিজেপির

বিক্ষোভের আগুন নেভাতে এবার সক্রিয় টিম সুকান্ত-অমিতাভ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২২, ১৩:৪২

options
link
WB Civic Polls 2022: বিদ্রোহে লাগাম টানতে না পারলে পুরভোটে হতে পারে খারাপ ফল, আশঙ্কা বঙ্গ বিজেপির

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিক্ষোভে লাগাম টানতে না পারলে পুরভোটে তার প্রভাব দলে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের। কারণ, জেলায় জেলায় নয়া কমিটি গঠন নিয়ে নেতা-কর্মীদের একাংশের ক্ষোভ যেভাবে দানা বেঁধেছে তাতে পুরভোটের আগে অশনিসংকেত দেখছে মুরলিধর সেন লেনের কর্তারা। এভাবে জেলায় জেলায় দলে বিদ্রোহ চললে তার প্রভাব যে আসন্ন পুরসভাগুলির ভোটের ফলে পড়তে পারে তার আশঙ্কা ছিলই বিজেপি নেতৃত্বের। পুরভোটের আগে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দলের আভ্যন্তরীণ রিপোর্টেও এমনটাই খবর। তাই বিক্ষোভের আগুন নেভাতে এবার সক্রিয় টিম সুকান্ত-অমিতাভ।

Advertisement

বঙ্গ বিজেপির (BJP) শাসক শিবিরের নয়া কৌশল। একদিকে যখন বিক্ষুব্ধ শিবিরের লোকজন জেলায় জেলায় সংগঠিত হচ্ছে ঠিক তখনই পালটা বিদ্রোহীদের ঐক্য ভাঙতে কৌশল নিয়েছে বঙ্গ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব, দলীয় সূত্রে এমনটাই খবর। আলোচনার মাধ্যমে ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। বিদ্রোহী নেতাদের দলের মূল স্রোতে ফেরাতে চাইছে। বিক্ষুব্ধ শিবিরের ঐক্যে ফাটল ধরাতে রাজ্যের বাদ পড়া পুরনো নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষোভ মেটাতে চাইছে সুকান্ত-অমিতাভরা। এই কৌশলে চিঁড়ে ভিজবে কী না তা নিয়ে সন্দেহের মধ্যেই অবশ্য এমন প্রশ্নও উঁকি মারছে যে, বিক্ষুব্ধ শিবির কি ক্রমশ বিভক্ত হয়ে পড়েছে? কারণ, দলের বিক্ষুব্ধ বলে পরিচিত বাদ পড়া নেতা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ন্তন বসু, রাজকমল পাঠকদের সেভাবে বিদ্রোহীদের পাশে আর দেখা যাচ্ছে না। বা দলের শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে সেভাবে সরবও নয় তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: চিড়িয়াখানার রক্ষীকে মেরে সঙ্গী সিংহকে নিয়ে চম্পট সিংহীর, আতঙ্ক শহরজুড়ে]

বিক্ষুব্ধ শিবিরে রাজ্য নেতা হিসেবে সক্রিয়ভাবে শুধু দেখা যাচ্ছে জয়প্রকাশ মজুমদার, রীতেশ তেওয়ারি ও সমীরণ সাহাদের। ইতিমধ্যে ফের দলের কর্মসূচিতে সামনের সারিতে দেখা মিলছে প্রতাপ ও রাজকমলদের। সম্প্রতি রাজ্য দপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে সুকান্তর পাশে আবার দেখা গিয়েছে দলের পুরনো নেতা প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আবার গান্ধীজী স্মরণে কর্মসূচিতে রাজ্য দপ্তরে এসেছিলেন দলের প্রাক্তন রাজ্য সহ-সভাপতি রাজকমল পাঠকও। বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে দেখা না গেলেও রাজকমলবাবু দলের বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্বের কাজকর্মের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। রাজকমলবাবুর বক্তব্য, “পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পার্টি ডাকছিল না। এখন কর্মসূচিতে ডাকছে। আমি পার্টির অনুগত সৈনিক। তাই কর্মসূচিতে যাচ্ছি।”

Advertisement

একদিকে যখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে (Shantanu Thakur) মুখ করে বিদ্রোহী শিবিরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রীতেশ, জয়প্রকাশ ও সমীরণরা। কিন্তু বাকিরা কি বিদ্রোহ থেকে অনেকটাই দূরে রাখতে চাইছেন নিজেদের? ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, বিক্ষুদ্ধ শিবির কি কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে? দলের ৪২টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ২০টিরও বেশি জেলায় ৯টা জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে। তার মধ্যে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, নদিয়া, বনগাঁ, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূমে ক্ষোভের আঁচ প্রকাশ্যে এসেছে। প্রকাশ্যে এসেছে দলের আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বও।

বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর ও সোনামুখী-এই তিনটি পুরসভার ভোট রয়েছে। তার আগে বাঁকুড়ায় দলের ক্ষোভ ভাবাচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে। আবার বনগাঁ পুরসভার ভোট। সেখানে তো বিজেপির জেলা সভাপতির সঙ্গে শান্তনু ঠাকুরের প্রবল বিরোধ কারও অজানা নয়। ফলে বনগাঁ নিয়ে চিন্তায় রয়েছে রাজ্য বিজেপি। আবার বিজেপির নদিয়া (দক্ষিণ) সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৬টি পুরসভাতেই বিজেপির আভ্যন্তরীণ কোন্দল রয়েছে। তাহেরপুর, শান্তিপুর, বীরনগর, রানাঘাট, চাকদহ ও হরিণঘাটা-এই ৬ পুরভোটের ফলাফলে দলের কোন্দল প্রভাব ফেলবে বলে রিপোর্ট গিয়েছে রাজ্য বিজেপির কাছে।

[আরও পড়ুন: ফের ঊর্ধ্বমুখী দেশের করোনা পরিসংখ্যান, চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃতের সংখ্যা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.