Samik Bhattacharya

কমিশনে আস্থা নেই খোদ বঙ্গ বিজেপির! জ্ঞানেশকে ‘গ্রাউন্ড জিরো’য় ডাকলেন ‘ক্ষুব্ধ’ শমীক

এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরুর পর থেকেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ১০:৩৩

options
link
কমিশনে আস্থা নেই খোদ বঙ্গ বিজেপির! জ্ঞানেশকে ‘গ্রাউন্ড জিরো’য় ডাকলেন ‘ক্ষুব্ধ’ শমীক

স্টাফ রিপোর্টার: কমিশনে আস্থা নেই খোদ বঙ্গ বিজেপির! ঠান্ডা ঘরে বসে নয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরেজমিনে কাজ করার নিদান রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। তাঁর আরও বক্তব্য, প্রতিনিধি পাঠিয়ে দায় সারলে হবে না।

Advertisement

এসআইআর ঘিরে রাজ‌্য রাজনীতি উত্তাল। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছে, বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লে আন্দোলন হবে। এদিকে অস্বাভাবিক কাজের চাপের ফলে বিএলও-দের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, অসুস্থ অনেকে। তৃণমূল তো বটেই সিপিএমেরও কাঠগড়া নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এবার কার্যত উলটপুরাণ! শমীকের তোপের মুখে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার ঠান্ডা ঘরে বসে জ্ঞানগর্ভ বাণী দিলে চলবে না। এখানে আসতে হবে। গ্রাউন্ড জিরো দেখতে হবে। প্রতিনিধি পাঠালে হবে না।”

Advertisement

শমীকের আরও তোপ, “যদি ভাবেন দিল্লি থেকে ফোনে কন্ট্রোল করবেন, তা হবে না। প্রয়োজনে এখানে এসে অফিসে বসুন। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি সশরীরে এসে পর্যবেক্ষণ করুন। স‌্যাটেলাইটের মাধ‌্যমে নির্বাচন পরিচালনা করলে হবে না। দুই প্রতিনিধি পাঠিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না।” নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব মনে করিয়ে শমীক আরও বলেন, “কমিশনের দায়িত্ব বিএলও, ডিইও-দের নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই সেটা হচ্ছে না, ফলে নির্বাচনের কাজে যুক্ত একাংশ বিএলও, ডিইও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।’’

Advertisement

প্রসঙ্গত, শুক্রবার ডায়মন্ডহারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস (ববি) বিএলও-দের চাপ দেওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। তাঁর অভিযোগ, ফলতার বিডিও এলাকার তৃণমূল ভোটারের নাম তুলতে বিএলও-দের চাপ দিচ্ছেন। এরপরই বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে সুর চড়ান শমীক। তিনি অভিযোগ করেন, এসআইআর মানবে না বলে এখন বিএলওদের মিথ্যা তথ্য আপলোড করাচ্ছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহেই ২ থেকে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন শমীক। এখনও পর্যন্ত বাংলায় অনুপ্রবেশকারী রয়ে গিয়েছেন বলেও অভিযোগ তাঁর।

বাংলায় ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরুর পর থেকেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমারকে। সিপিএমও ও কংগ্রেস কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। এবার কিছুটা উলটো পথে হেঁটে জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভাট্টাচার্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.