অর্ণব আইচ: কলকাতার (Kolkata) হোটেলে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার কালিম্পংয়ের মহিলা পুলিশ কর্মী। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করলেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কালীঘাট চত্বরে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কালীঘাট থানার পুলিশ।
ওই প্রৌঢ়ার নাম বিন্দু লামা সুব্বা। বয়স ৫১ বছর। কালিম্পং পুলিশে কর্মরত ছিলেন তিনি। ২৩ নভেম্বর কালীঘাট থানার (Kalighat Police Station) অন্তর্গত কালিদাস পতিতণ্ডি লেনের একটি হোটেলে ওঠেন দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা বিন্দু। যেহেতু কালিম্পং পুলিশের অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে কলকাতায় এসেছিলেন বিন্দু, সেই কারণে কালীঘাট থানার তরফে হোটেল বুক করে দেওয়া হয়। প্রথমে স্বাভাবিক ছিল সবটা। ২৪ তারিখ সন্ধেয় চা আর পাউরুটি অর্ডার দেন বিন্দুদেবী। খাবার নিয়ে গিয়ে এক হোটেল কর্মী দেখেন দরজা খোলা, বিছানায় অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বিন্দু। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া পুলিশে। এরপরই প্রৌঢ়াকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ইতিমধ্যেই দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলেই স্পষ্ট হবে বিন্দুর মৃত্যুর কারণ।
[আরও পড়ুন: ছানি অপারেশনে এক চোখ নষ্ট, হাসপাতালের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য কমিশনে অসহায় চা ব্যবসায়ী]

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কীভাবে মৃত্যু হল ওই প্রৌঢ়ার তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই গোটা বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
[আরও পড়ুন: বিয়ের ফাঁদ পেতে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, গ্রেপ্তার বায়ুসেনা কর্মীর মা, পলাতক ‘পাত্র’]
সর্বশেষ খবর
-
অ্যাকশনের ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন শমীক, এবার সাংগঠনিক রদবদলের পথে হাঁটছে রাজ্য বিজেপি
-
চা-চক্রের গভীর ব্যঞ্জনা, উষ্ণ জীবনবোধের পানীয়
-
‘এত চুরি করেছেন, চোর শুনতেই হবে!’ মমতার হেনস্তাকে ‘জনরোষ’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী
-
দ্বিতীয় দিন ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ ভবানীভবনে, ‘আত্মগোপন’ নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক
-
‘এখনও মেয়ের সঙ্গে রাতটা কাটে’, দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে চোখের জলে অভয়াকে স্মরণ মায়ের